কোনওরকম ঘরোয়া বিবাদ নয়। বরং স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেদের অত্যাধিক লালসা। এই লাললার শিকার হয়ে প্রাণ হারালেন ২২ বছরের এক বধূ। অভিযোগ, তাঁকে জোর করে দেহব্যবসায় নামাতে চেয়েছিলেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। সেই অপমান সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী হলেন কর্নাটকের বিদারের বাসিন্দা অঞ্জনাবাই শেখর পাতিল।
2
8
পুলিশ সূত্রের খবর, ২০২২ সালে অঞ্জনাবাইয়ের সঙ্গে শেখর পাতিলের বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের এক বছরের মাথায় তাঁদের একটি পুত্রসন্তানও হয়। কিন্তু দাম্পত্যের সুখ বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। বাসবকল্যাণের ওম কলোনিতে নিজেদের বাড়িতেই গত সপ্তাহে উদ্ধার হয় অঞ্জনাবাইয়ের ঝুলন্ত দেহ।
3
8
মৃতার বাবা বিজয়কুমারের অভিযোগের তির জামাই ও তাঁর পরিবারের দিকেই। তাঁর দাবি, তাঁদের মেয়েকে দিনের পর দিন শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করা হতো। এমনকী তাঁকে টাকার বিনিময়ে অন্য পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক তৈরী করতে বাধ্য করার চেষ্টাও চলে। ঘটনার মোড় নেয় এরপর। এই প্রস্তাবে রাজি না হওয়াতেই নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায়। মানসিক যন্ত্রণা ও লোকলজ্জার ভয়েই শেষ পর্যন্ত অঞ্জনাবাই আত্মহত্যার পথ বেছে নেন বলে মনে করা হচ্ছে।
4
8
এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন। বিজয়কুমারের বয়ানের ভিত্তিতে পুলিশ অঞ্জনাবাইয়ের স্বামী-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে। ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনও চক্র কাজ করছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
5
8
অন্যদিকে, নিজের আসল পরিচয় লুকিয়ে তরুণীকে দিনের পর দিন ধর্ষণ। ভোপালের বাগরোদায় নিজের আসল পরিচয় লুকিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের নাম আবেশ খান। সে নিজেকে ‘রাজা’ পরিচয় দিয়ে ওই তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল।
6
8
অভিযোগকারিণীর দাবি, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আবেশ তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। শুধু তাই নয়, গোপনে কিছু আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও তুলে রেখেছিল সে। পরে তরুণী জানতে পারেন যে যুবকের নাম আসলে আবেশ। তখন তিনি সম্পর্ক ভেঙে দিতে চাইলে ওই ভিডিও দেখিয়ে তাঁকে ব্ল্যাকমেল শুরু করে অভিযুক্ত। ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ফের তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
7
8
তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, অভিযুক্ত আবেশ উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। সে বাগরোদার একটি টাইলস কারখানায় কাজ করত। গত রবিবার রাতে একটি হিন্দু সংগঠনের সদস্যরা আবেশকে পাকড়াও করে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। সেই মারধরের ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
8
8
ভোপাল পুলিশের অতিরিক্ত ডিসিপি অনিল শর্মা জানিয়েছেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও এসসি/এসটি আইনে মামলা করা হয়েছে। তার মোবাইল ফোনটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আবেশ ভিডিও তোলার কথা স্বীকার করলেও, পুলিশ সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখছে।