বারাণসী শহর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে বাবাতপুরে রয়েছে বারাণসী বিমানবন্দর। এটি কেবল ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গন্তব্যে যাতায়াতের একটি ব্যস্ত প্রবেশপথই নয়, বরং তার চেয়েও অনেক বেশি কিছু।
2
7
বারাণসী বিমানবন্দরই ভারতের প্রথম বিমানবন্দর, যেখানে যাত্রীদের উদ্দেশ্যে সংস্কৃত ভাষায় ঘোষণার ব্যবস্থা শুরু হয়। নিয়মিত ঘোষণার তালিকায় এই প্রাচীন ভাষাটি যুক্ত হয়।
3
7
২০১২ সালে বারাণসী বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক তকমা পায়। বর্তমানে এখান থেকে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক- উভয় ধরনের উড়ানই পরিচালিত হয়।
4
7
মূল শহরের উত্তর-পশ্চিমে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে বাবাতপুরে অবস্থিত এই বিমানবন্দরটি বারাণসী ও এর আশেপাশের দর্শনীয় স্থানগুলোতে ভ্রমণকারী পর্যটকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ।
5
7
মূল শহরের উত্তর-পশ্চিমে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে বাবাতপুরে অবস্থিত এই বিমানবন্দরটি বারাণসী ও এর আশেপাশের দর্শনীয় স্থানগুলোতে ভ্রমণকারী পর্যটকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ।
6
7
২০২৫-২৬ অর্থবছরে এই বিমানবন্দর দিয়ে ৪৩ লাখেরও বেশি যাত্রী উড়ানে ওঠা-নামা করেছে। ফলে পূর্ব উত্তর প্রদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ এভিয়েশন হাব বা বিমান চলাচল কেন্দ্র হিসেবে এই বিমানবন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম।
7
7
বর্তমানে বিমানবন্দরটির সম্প্রসারণ কাজ চলছে এবং একটি নতুন টার্মিনাল তৈরি করা হচ্ছে। সংস্কারের কাজ হয়ে গেলে এই বিমানবন্দর দিয়ে বছরে প্রায় ৬০ লাখ যাত্রী চলাচল করতে পারবে। এই প্রকল্পের আওতায় রানওয়ে সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে। ২০২৭ সালের মধ্যে বারাণসী বিমানবন্দরের সংস্কারের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।