শীতকাল এলেই অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, এই ঠান্ডা আবহাওয়ায় টকদই খাওয়া কি আদৌ উচিত, নাকি সর্দি-কাশির সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক নিয়মে ও পরিমিত পরিমাণে দই খেলে শীতকালেও দারুণ উপকার পাওয়া যায়।
2
7
দইতে প্রচুর পরিমাণে উপকারী ব্যাকটেরিয়া বা প্রোবায়োটিক থাকে, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্য (Gut health) ভাল রাখে এবং শীতের মরশুমে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
3
7
এটা ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং ভিটামিন বি-১২ এর উৎস, যা হাড় শক্ত রাখতে এবং পেশির কার্যকারিতা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
4
7
শীতকালে সাধারণত হজমশক্তি তুলনামূলক ভাল থাকে, ফলে দই হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।
5
7
তবে চিকিৎসকদের মতে, যাঁদের সাইনাস বা অ্যাজমার সমস্যা রয়েছে কিংবা যারা খুব দ্রুত ঠান্ডা লাগার ধাতে ভোগেন, তাঁদের রাতে বা অতিরিক্ত ঠান্ডা দই খাওয়া এড়ানো উচিত। এটি কফ বা শ্লেষ্মা বৃদ্ধি করতে পারে।
6
7
ফ্রিজ থেকে সরাসরি বের করে ঠান্ডা দই না খেয়ে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এনে খাওয়া শ্রেয়। পাশাপাশি, রাতের বেলা দই খাওয়া থেকে বিরত থাকাই ভাল।
7
7
শীতকালে পুষ্টি পেতে ঘরের তৈরি দই দৈনন্দিন রুটিনে রাখতে পারেন, তবে কোনও শারীরিক সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।