মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের অনেক সুবিধা রয়েছে। যেমন- চক্রবৃদ্ধি সুদের সুবিধা, বৈচিত্র্যায়ন, রুপি কস্ট এভারেজিং, তারল্য এবং আরও অনেক কিছু।
2
11
তাই, আপনি যদি বিনিয়োগের নতুন কোনও ধারণা বা সুযোগের সন্ধানে থাকেন, তবে মিউচুয়াল ফান্ডে কৌশলগত বিনিয়োগ আপনার জন্য লাভজনক হতে পারে।
3
11
ধরা যাক, আপনি মিউচুয়াল ফান্ডে এককালীন ৫০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করছেন এবং আপনার লক্ষ্য হল এই মূলধনকে দ্বিগুণ করে ১ কোটি টাকারও বেশি অঙ্কে উন্নীত করা। এখন, আপনি কি অনুমান করতে পারেন যে এর জন্য ঠিক কতটুকু সময় লাগতে পারে? চলুন, হিসাব কষে বিষয়টি জেনে নেওয়া যাক—
4
11
বার্ষিক ১২ শতাংশ হারে রিটার্ন বা আয়ের হার ধরে নেওয়া হচ্ছে।
5
11
হিসাব অনুযায়ী, মিউচুয়াল ফান্ডে এককালীন ৫০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে ১ কোটি টাকারও বেশি মূলধন গড়ে তুলতে হলে, আপনাকে অন্তত ৭ বছর ধরে বিনিয়োগটি বজায় রাখতে হবে।
6
11
মিউচুয়াল ফান্ডে ৭ বছরের জন্য এককালীন ৫০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করলে, একজন বিনিয়োগকারী মূলধনী লাভ হিসেবে মোট ৬০,৫৩,৪০৭ টাকা (গড়ে) পাওয়ার আশা করতে পারেন।
7
11
তবে, এটি মনে রাখা প্রয়োজন যে এটি কেবল একটি প্রত্যাশিত আয়ের হিসাব মাত্র, বাজারের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে প্রকৃত প্রাপ্ত অর্থের পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।
8
11
ফলস্বরূপ, ৭ বছর শেষে আপনি সব মিলিয়ে মোট ১,১০,৫৩,৪০৭ টাকা (প্রায়) হাতে পেতে পারেন। এই অর্থের মধ্যে আপনার মূল বিনিয়োগের পরিমাণ এবং অর্জিত মূলধনী লাভ—উভয়ই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
9
11
মোট বিনিয়োগের পরিমাণ: ৫০,০০,০০০ টাকা। মূলধনী লাভ: ৬০,৫৩,৪০৭ টাকা। মোট আনুমানিক প্রাপ্তি: ১,১০,৫৩,৪০৭ টাকা।
10
11
এটি এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে আপনি কেবল আপনার মূল বিনিয়োগের ওপরই লাভ বা 'ক্যাপিটাল গেইন' অর্জন করেন না, বরং পূর্বে অর্জিত লাভের ওপরও পুনরায় লাভ বা আয় করতে থাকেন।
11
11
এটি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার এমন একটি কৌশল, যার মাধ্যমে বিনিয়োগের অর্থ বিভিন্ন সম্পদ শ্রেণি, খাত এবং ভৌগোলিক অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে কোনও একটি নির্দিষ্ট সিকিউরিটি বা সম্পদের পারফরম্যান্স খারাপ হলেও, সামগ্রিক বিনিয়োগের ওপর তার নেতিবাচক প্রভাব অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হয়।