শেষরক্ষা হল না, বনলতার লুকিয়ে রাখা সত্যিটা এবার সবার সামনে চলে এল। লাজু আগেই বুঝতে পারে বনলতার অবস্থা, বোঝে সে কোনও চাপে পড়ে ঠাম্মির গয়না চুরি করেছে। তারপর ময়ূখের সঙ্গে বনলতা সেজে ফোনে কথা বলে সে। তখনই জানতে পারে যে, ময়ূখ বনলতার থেকে ১৫ লক্ষ্য টাকা চাইছে। সে বুদ্ধি করে ময়ূখকে ডেকে পাঠায়। এদিকে, কলেজে গিয়ে এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে যায় ময়ূখের সঙ্গে দেখা করতে। যাওয়ার আগে পুলিশ স্টেশনে দেখা করে সবটা বলে যায় লাজবন্তী। এখানেই এসেছিল আসল টুইস্ট। এসব কোনওকিছুই জানতে পারে না অনুভব। সে গাড়ি নিয়ে অফিস যাওয়ার পর দেখতে পায় লাজু একজনের বাইকে করে চলে যাচ্ছে। এরপর তাকে ফোন করে কোথায় আছে জানতে চাইলে লাজু ব্যস্ত আছে বলে ফোন কেটে দেয়।
অনুভব ভাবে লাজু কলেজে গিয়ে নিশ্চয়ই কারওর সঙ্গে প্রেম করছে। কিন্তু পরে সে জানতে পারে সবটা। ময়ূখের হাত থেকে লাজুকে উদ্ধার করে অনুভব। লাজুর উপর থেকে যাতে চুরির মিথ্যে অপবাদ সরে সেই জন্য বনলতাকে সব সত্যি শিকার করতে বলে অনুভব। কিন্তু সম্মানহানির ভয়ে বাড়ির সবার সামনে কিছু বলতে পারে না বনলতা।
কিন্তু সদ্য প্রকাশ্যে আসা ধারাবাহিকের নতুন প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে, বাড়ির সবার সামনে বনলতার দিকে আঙুল তুলেছে অনুভব। সে বলে, তাকেই ময়ূখ ব্ল্যাকমেল করছিল। এদিকে, এই কথা জানতে পেরে তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে অনুভবের মা। সে বনলতার কাছে জানতে চায় তার সঙ্গে কী সম্পর্ক ময়ূখের? অনুভবই এর জবাব দেয়। সে জানায় প্রেমের সম্পর্ক ছিল তাদের।
বনলতা কেঁদে ফেলে। সে জানায়, একসময় ময়ূখের সঙ্গে তার সম্পর্ক থাকলেও এখন সে অনুভবকেই ভালবাসে। যদিও বনলতার এই কথায় মোটেই মন গলে না তার শাশুড়ির। বরং আরও রেগে গিয়ে বনলতাকে ধাক্কা দিয়ে সে জানায়, অনুভবের জীবনে তার আর কোনও জায়গা নেই। বাড়ির এই পরিস্থিতি চোখের সামনে দেখে কাঁদতে থাকে লাজু। সে মনে মনে ভগবানকে বলে, এরকম কেন হল এই পরিবারে?
এবার কি ভাঙবে বনলতা ও অনুভবের সম্পর্ক? লাজুকে কি স্বীকৃতি দিতে পারবে অনুভব? কী হতে চলেছে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে? উত্তরের অপেক্ষায় দর্শক মহল।
