পশ্চিমবঙ্গে ঘরে ঘরে বসানো হচ্ছে অত্যাধুনিক স্মার্ট মিটার। রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা ও সিইএসসি-র এই যৌথ উদ্যোগে আমূল বদলে যাচ্ছে চেনা বিদ্যুৎ বিলিং ব্যবস্থা।
2
20
পুরনো অ্যানালগ বা ডিজিটাল মিটার সরিয়ে এই নতুন প্রিপেড ব্যবস্থা আসায় মাসের শেষে এককালীন মোটা টাকার বিলের দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন গ্রাহকেরা।
3
20
মোবাইলের মতো আগে রিচার্জ করে তবেই ব্যবহার করা যাচ্ছে বিদ্যুৎ। ২০০, ৫০০ থেক শুরু করে ১০০০ টাকা পর্যন্ত রিচার্জের ব্যবস্থা রয়েছে৷
4
20
এদিকে, একবারে ১০০০ টাকা রিচার্জ করলে তা কতদিন চলবে, তা নিয়ে আমজনতার মনে রয়েছে একগুচ্ছ প্রশ্ন।
5
20
১০০০ টাকার রিচার্জ কতদিন চলবে, তার কোনও বাঁধাঘরা নিয়ম নেই। সবটাই নির্ভর করছে গ্রাহকের ব্যবহারের ওপর।
6
20
শুধু আলো, পাখা ও ফ্রিজ চললে ১০০০ টাকার রিচার্জে ২৫ থেকে ৩০ দিন বিদ্যুৎ চলবে।
7
20
গরমের দিনে বাড়তি পাখা ও নিয়মিত জলের পাম্প চললে ২০ থেকে ২২ দিন বিদ্যুৎ চলবে।
8
20
বাড়িতে এসি বা গিজার চললে ১০ থেকে ১২ দিন বিদ্যুৎ চলবে৷
9
20
স্মার্ট মিটার মূলত কাজ করে মোবাইল সিম কার্ডের প্রযুক্তিতে। ব্যালেন্স শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষমতাও কমতে থাকে।
10
20
কত ইউনিট পুড়ল আর কত টাকা কাটল, তা প্রতি মুহূর্তে স্মার্টফোন অ্যাপে দেখা যায়।
11
20
আগে মিটার রিডারদের ম্যানুয়াল রিডিংয়ের ভুল নিয়ে যে ক্ষোভ থাকত, স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার কারণে এখন আর তার কোনও জায়গা নেই।
স্মার্ট মিটার নিয়ে শুরুতে অনেকেরই অভিযোগ ছিল, স্মার্ট মিটারে টাকা দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ দপ্তরের মতে, এটি কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি নয়, বরং অসচেতনতা।
14
20
সাধারণ বাল্বের বদলে এলইডি আলো এবং পুরনো পাখার জায়গায় ফাইভ-স্টার রেটিংযুক্ত বিএলডিসি পাখা ব্যবহার করলে ১০০০ টাকার রিচার্জেই দীর্ঘ সময় চালানো সম্ভব।
15
20
মাঝরাতে বা ছুটির দিনে রিচার্জ শেষ হলে ঘুটঘুটে অন্ধকারে ডুবতে হবে- এমন ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।
16
20
গ্রাহকদের সুরক্ষায় বিদ্যুৎ দপ্তর বিশেষ নিয়ম রেখেছে। ব্যালেন্স মাইনাসে চলে গেলেও রাতের বেলা কিংবা সরকারি ছুটির দিনে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় না। এই সময়টিকে বলা হয় 'হ্যাপি আওয়ার্স'।