জি বাংলার ধারাবাহিক 'চিরদিনই তুমি যে আমার'-এ আসছে দারুণ মোড়। ইতিমধ্যেই গল্পে দেখা যাচ্ছে রাজনন্দিনী হিসেবে নিজেকে দাবি করা মেয়েটির বিরুদ্ধে সন্দেহ জোরালো হয় অপুর। কিঙ্কর অনিকেতের ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি অপুর। এদিকে অপুর যুক্তিতে বিশ্বাস করতে নারাজ রাজলক্ষ্মী। বাড়ি থেকে আচমকা বেরিয়ে গিয়ে দুর্ঘটনার নাটক করে আর্য ও রাজলক্ষ্মীর মন জেতার চেষ্টা নকল রাজনন্দিনীর! অপু কি পারবে এই ষড়যন্ত্রের পর্দা সরাতে? এই প্রশ্নের মাঝেই দর্শকের সামনে এল আরও বড় চমক।
প্রকাশ্যে আসা ধারাবাহিকের নতুন প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে আর্যকে ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা অপর্ণাকে বলে রাজলক্ষ্মী। কারণ, সে ভাবে সত্যিই তার মেয়ে রাজনন্দিনী ফিরে এসেছে। এদিকে, অপুও জেদের বশে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে। সে আর্যকে চিঠি লিখে জানায়, যদি সত্যিই সে তাকে ভালবাসে তবে তাকে খুঁজে যেন নিয়ে আসে আর্য।
অপর্ণার রেখে যাওয়া চিঠি পেয়ে আর্য তড়িঘড়ি অপর্ণার কাছে ছুটে যায়।
কিন্তু আর্যর পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় নকল রাজনন্দিনী। সে আর্যকে কিছুতেই অপর্ণার কাছের যেতে দেয় না। নকল রাজনন্দিনীর জন্য কি এবার আলাদা হবে আর্য-অপর্ণার পথ? কী হতে চলেছে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে? উত্তরের অপেক্ষায় দর্শক মহল।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে গল্পে দেখানো হয়েছিল আর্যর জন্মদিনের আয়োজন একা হাতে সামলাচ্ছে অপর্ণা। আর্য কেক কেটে তাকে খাইয়ে দেয় আর বলে এভাবেই যেন সারাজীবন অপর্ণা তার পাশে থাকে। আর্যর কথা শেষ হতে না হতেই একজন পুরোহিত আসে তাদের বাড়ি। সে এসে এক অবাক করা কথা বলে। সে জানায় যে আর্যর প্রথম স্ত্রী তো মারা যায়নি, রাজনন্দিনী বেঁচে আছে। রাজনন্দিনীর মা পুরোহিতের কথা শুনে আঁতকে ওঠে। সে জানায়, রাজনন্দিনী তো মারা গিয়েছে, আর অপর্ণা তার পুনর্জন্ম।
পুরোহিতের পিছন থেকে তখনই বেরিয়ে আসে রাজনন্দিনী। যদিও সে মানসিক ভারসাম্যহীন। সে এসে আর্যকে বলে আজ তো তার জন্মদিন, তাহলে তাকে রিটার্ন গিফ্ট দেবে না? এই কথা শুনে অপর্ণা চলে যেতে যায়। তখন আর্য তার হাত টেনে ধরে। সে বিশ্বাস করতে পারে না রাজনন্দিনী যে বেঁচে আছে।
সে কি সত্যিই রাজনন্দিনী? নাকি তার মতো দেখতে কেউ? তাকে কী কারণে এই বাড়িতে আনা হয়েছে? আর অপর্ণার কী হবে? তার পুনর্জন্মের স্মৃতি যে ফিরে আসে, সেসব কি মিথ্যে? নতুন প্রোমো দেখে এখন এসব প্রশ্ন ঘুরছে দর্শকের মনে।















