আরব সাগরে লক্ষ ঢেউ। কোনও ঢেউ ভাঙে, কোন ঢেউ গড়ে... জানতে পারেন কেউ? মায়ানগরীর আনাচেকানাচে গুনগুন ফিসফাস। খবরের কানাকানিতে থমকে বাতাস। সারা দিনের খবরাখবর শেষবেলায় আজকাল ডট ইনের পাতায়...


ব্রেকআপের গুঞ্জন ওড়ালেন তৃষা


দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম চর্চিত জুটি থালাপতি বিজয় এবং তৃষা কৃষ্ণন।  গত কয়েকদিন ধরেই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। নেটপাড়ায় রটে গিয়েছিল, তাঁদের দীর্ঘদিনের সম্পর্কে নাকি চির ধরেছে! এমনকি তৃষা ইনস্টাগ্রামে বিজয়কে ‘আনফলো’ করে দিয়েছেন বলেও শোনা যায়। তবে সব গুঞ্জনকে উড়িয়ে খোদ তৃষাই দারুণ চমক দিলেন। তৃষা সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজয়ের সঙ্গে একটি মিষ্টি ছবি শেয়ার করে বুঝিয়ে দিলেন, তাঁদের সমীকরণ আগের মতোই অটুট আছে। ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, প্রিন্টেড শার্ট পরেছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী, তাঁর মুখে চওড়া হাসি। পাশেই বসে অপলক দৃষ্টিতে বিজয়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন তৃষা। সঙ্গে লিখেছেন, "সেই মানুষটার জন্য, যে সব কিছুকে সার্থক করে তোলে, শুভ জন্মদিন।”


‘কর্ণ’-এর চরিত্রে সলমন খান?


বলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক রাকেশ ওমপ্রকাশ মেহরার বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘কর্ণ’ নিয়ে এবার এক বড় আপডেট সামনে এল। শোনা যাচ্ছে, মহাভারতের এই ঐতিহাসিক চরিত্রের জন্য মেগাস্টার সলমন খানের সঙ্গে কথা বলেছেন পরিচালক। আপাতত বিষয়টি নিয়ে আলোচনার একেবারে প্রাথমিক স্তরে রয়েছে। তবে সবকিছু যদি ঠিকঠাক থাকে, তবে রাজ ও ডিকে-র পরিচালনায় সলমন খানের আগামী সুপারহিরো সিনেমার শুটিং শেষ হওয়ার পরই ফ্লোরে নামবে ‘কর্ণ’। এর আগে দক্ষিণী সুপারস্টার সুরিয়াকে এই নামভূমিকায় অভিনয়ের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে বিশাল বাজেটের সমস্যার কারণে সুরিয়ার সঙ্গে এই প্রজেক্টটি বাতিল হয়ে যায়। সিনেমাটি নিয়ে অতীতে অনেক টানাপোড়েন চললেও, ‘ভাইজান’-এর নাম জড়ানোয় সিনেপ্রেমীদের মনে নতুন আশা জেগেছে। আশা করা যাচ্ছে, এবার হয়তো সব বাধা কাটিয়ে অবশেষে রুপোলি পর্দায় প্রাণ পাবে পরিচালকের এই স্বপ্নের প্রজেক্ট।


নিজের ওপর রেগে গিয়ে নিজেকেই চড় মারতে চেয়েছিলেন অক্ষয় কুমার!


বলিউডের ‘খিলাড়ি’ অক্ষয় কুমার বিনোদন দুনিয়ায় কমেডি থেকে শুরু করে সিরিয়াস ড্রামা,  সব ধরনের অভিনয়েই সিদ্ধহস্ত। কিন্তু কেরিয়ারের শুরুর দিকে পরিস্থিতি এমনটা ছিল না। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অক্ষয় জানান, কেরিয়ারের প্রথম দশকে একটানা শুধু অ্যাকশন ছবি করতে করতে তিনি এতটাই ক্লান্ত ও বিরক্ত হয়ে পড়েছিলেন যে, নিজের ওপর রেগে গিয়ে নিজের গালে নিজেই চড় মারতে ইচ্ছে করত তাঁর। অভিনেতা অকপটে স্বীকার করেন যে, শুরুর দিকে ইন্ডাস্ট্রির কোনও পরিচালক বা প্রযোজক ভাবতেই পারতেন না যে অ্যাকশন ছাড়া অন্য কোনও চরিত্রেও তিনি অভিনয় করতে সক্ষম। তাঁর কথায়, "আমি প্রায় ১০ বছর ধরে প্রতিদিন সকালে উঠে শুধু অ্যাকশন দৃশ্যই শুট করতাম। লাথি মারা, ঘুষি মারা, স্টান্ট করা-এটাই ছিল আমার রোজকার রুটিন। একটা সময় এমন এসেছিল যখন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের ওপর ঘেন্না হতো, নিজেকেই চড় মারতে ইচ্ছে করত যে আমি কী করছি!" তিনি আরও জানান, সেই সময় অ্যাকশন হিরোর তকমা বা 'ট্যাগ' তাঁর গায়ে এমনভাবে সেঁটে গিয়েছিল যে, কোনও রোমান্টিক বা কমেডি ছবির জন্য কেউ তাঁকে পাত্তাই দিত না। আর একঘেয়েমি থেকে অক্ষয়কে মুক্তি দিয়েছিলেন পরিচালক প্রিয়দর্শন ও রাজকুমার সন্তোষী। প্রিয়দর্শনের আইকনিক কমেডি ছবি ‘হেরা ফেরি’ এবং রাজকুমার সন্তোষীর ‘খাকি’ অক্ষয়ের কেরিয়ারের মোড় পুরোপুরি ঘুরিয়ে দেয়।