হঠাৎ রেড সিগন্যাল, গাড়ির পাশে এসে দাঁড়ালেন ট্রাফিক পুলিশ। সাধারণত এই দৃশ্যে যাত্রীরা একটু চিন্তিত হয়ে পড়েন। কিন্তু যাত্রী স্বয়ং রাকেশ বেদী হলে তো 'ধুরন্ধর' কিছুই হবে৷
‘ধুরন্ধর’ ছবিতে পাকিস্তানি রাজনীতিক জামিল জামালি-র চরিত্র দর্শকদের মন কেড়েছে৷ ট্রাফিক পুলিশকে দেওয়া রাকেশের উত্তর এখন ভাইরাল৷
গাড়িতে বসে ছিলেন রাকেশ বেদি। ট্রাফিক সিগন্যালে গাড়ি থামতেই পাশে এসে দাঁড়ালেন কয়েকজন ট্রাফিক পুলিশ অফিসার। কাগজপত্র চাওয়ার বদলে তাঁদের চোখে চমক— “আরে! এ তো রাকেশ বেদী!”
এক অফিসার উচ্ছ্বসিত হয়ে বললেন, “জবরদস্ত পিকচার হ্যায় ধুরন্ধর!” তিনি জানালেন, প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে ছবিটি দেখেছেন এবং রাকেশের অভিনয়ে তিনি মুগ্ধ। আর এক অফিসার চটজলদি সেলফি তুলে নিলেন প্রিয় অভিনেতার সঙ্গে। এই সময় রাকেশ বেদীর রসিকতা
“আভি মেরে গাড়ি কা চালান মত কাট দেনা!” (এবার আমার গাড়ির চালান কেটে দিও না কিন্তু!)
ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই ভাইরাল৷ কেউ লিখেছেন, “এটাই সত্যিকারের সেলিব্রিটি— মাটির সঙ্গে যোগাযোগ আছে।” কেউ মন্তব্য করেছেন, “৭১ বছর বয়সেও যিনি এই রসবোধ বজায় রাখেন, তিনিই কিংবদন্তি।”
ভারতীয় চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও মঞ্চের অন্যতম পরিচিত মুখ রাকেশ বেদী। ১৯৮১-র ‘চষমে বদ্দুর’ ছবিতে কেরিয়ার শুরু। এরপর ‘ইয়ে জো হ্যায় জ়িন্দেগি’, ‘শ্রীমান শ্রীমতী’, ‘তারক মেহতা কা উলটা চশমা’— ভারতের ঘরে ঘরে পৌঁছানো ধারাবাহিক। বড় পর্দায় সাম্প্রতিক ছবি— ‘উরি: দ্য সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’, ‘জ়রা হটকে জ়রা বচকে’, ‘ছত্রিওয়ালি’।
আদিত্য ধর-পরিচালিত ‘ধুরন্ধর’-এ পাকিস্তানি রাজনীতিক জামিল জামালির চরিত্রে রাকেশের অভিনয় সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছে।















