স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত নওয়াজের নায়িকা


অভিনেত্রী রাজশ্রী দেশপাণ্ডে, যিনি ‘অ্যাংরি ইন্ডিয়ান গডেসেস’, ‘মান্টো’ এবং ওয়েব সিরিজ ‘স্যাক্রেড গেমস’-এর মতো উল্লেখযোগ্য প্রজেক্টে কাজ করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন, সম্প্রতি স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার কথা প্রকাশ্যে জানিয়েছেন। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা থেকেই ধরা পড়ে তাঁর গ্রেড ১ ব্রেস্ট ক্যানসার। ইতিমধ্যে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি এখন ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন।

৪ মার্চ সামাজিক মাধ্যমে হাসপাতালের শয্যা থেকে নিজের একটি ছবি পোস্ট করে রাজশ্রী জানান, অনেক সাহস সঞ্চয় করে অবশেষে তিনি এই খবরটি সবার সঙ্গে ভাগ করছেন। পোস্টে তিনি লেখেন, ইনফিলট্রেটিং ডাক্টাল কার্সিনোমা (NOS) ধরা পড়েছে তাঁর শরীরে। তবে সৌভাগ্যবশত নিয়মিত চেকআপের সময়ই রোগটি ধরা পড়ে, যা তাঁকে লড়াইয়ের সুযোগ দিয়েছে।অভিনেত্রীর কথায়, অসংখ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অস্ত্রোপচার যেন এক রোলার কোস্টার যাত্রার মতো ছিল। কিন্তু পরিবারের ভালবাসা এবং কাছের মানুষদের সমর্থন তাঁকে শক্তি জুগিয়েছে। বিশেষ করে অস্ত্রোপচারের পর মা-বাবার মুখ দেখে তাঁর ভয় গলে গিয়ে দৃঢ়তায় পরিণত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

বাবার পছন্দ

বাবার কথা উঠলেই সুর নরম হয়ে আসে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া-র। বহুবার তিনি বলেছেন, জীবনের সবচেয়ে কাছের মানুষ ছিলেন তাঁর বাবা। ২০১৩ সালে ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর তাঁর মৃত্যু হয়। সেই অনুপস্থিতি প্রিয়ঙ্কার বিয়ের দিনটিকে আরও গভীরভাবে ছুঁয়ে গিয়েছিল।

সম্প্রতি এক  পডকাস্টে হাজির হয়ে ব্যক্তিগত স্মৃতির দরজা খুললেন অভিনেত্রী। কথোপকথনের এক পর্যায়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়—স্বামী নিক জোনাস কি তাঁর বাবার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারতেন? উত্তরে প্রিয়ঙ্কা বলেন, “নিক ঠিক সেই ধরনের মানুষ, যাকে আমার বাবা আমার জন্য বেছে নিতেন, যদি তাঁর সুযোগ থাকত।” এর কারণও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। প্রিয়াঙ্কার কথায়, তাঁর বাবার প্রথম ভালবাসা ছিল সঙ্গীত। আর নিক একজন সঙ্গীতশিল্পী—গায়ক, গীতিকার, সুরকার, যিনি স্টুডিওতে কাজ করার সময় সম্পূর্ণ অন্য এক জগতে ঢুকে যান। “ওকে কাজ করতে দেখাটা একেবারে অন্যরকম অভিজ্ঞতা,” বলেন প্রিয়ঙ্কা। যখনই নিজেকে নতুন করে অনুপ্রাণিত করতে চান, তিনি নাকি স্টুডিওতে গিয়ে নিকের কাজ দেখা বেছে নেন।

তবে শুধু প্রতিভা নয়, নিকের ব্যক্তিত্বও তাঁকে মুগ্ধ করে। “নিক খুবই জ্ঞানী একজন মানুষ, এক ধরনের ‘ওয়াইজ সোল’,” বলেন তিনি। কথার শেষে এক অপূর্ণ ইচ্ছের কথাও উঠে আসে। “খুব চাইতাম, বাবা আমার স্বামী আর মেয়ের সঙ্গে যেন দেখা করতে পারে,” বলেন প্রিয়ঙ্কা।


আপ্রাণ চেষ্টা আমির-হৃতিকের

বলিউডের অন্দরে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু এখন একটাই নাম, ডন ৩। ঘোষণার পর থেকেই ছবিটি ঘিরে উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। কিন্তু প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের কথা থাকা সত্ত্বেও রণবীর সিং-এর প্রজেক্ট থেকে সরে দাঁড়ানোয় তৈরি হয়েছে জটিলতা। সেই অচলাবস্থা কাটাতেই নাকি এবার এগিয়ে এসেছেন ইন্ডাস্ট্রির প্রথম সারির কয়েকজন তারকা ও প্রযোজক।

একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সম্প্রতি মুম্বইয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ‘ডন ৩’-এর বর্তমান অবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আমির খান, হৃতিক রোশন, রাজকুমার হিরানি , জোয়া আখতার, সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা, রমেশ তৌরানি, কুমার মঙ্গত এবং অমৃত পাল সিং বান্দ্রা।

বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু এই ছবি থেকে রণবীরের আচমকা সরে যাওয়া। শোনা গিয়েছে ফারহান আখতারের প্রযোজনা সংস্থা নাকি চুক্তিভঙ্গের জন্য অভিনেতার কাছে ৪০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও পক্ষই বিস্তারিত মন্তব্য করেনি।

শিল্পমহলের একাংশের দাবি, দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা গড়তে মধ্যস্থতার ভূমিকায় নেমেছেন আমির খান। কয়েকদিন আগে মুম্বইয়ে তাঁর বাসভবন থেকে করণ জোহর, সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা, একটা কাপুর, ফারহান আখতার এবং জোয়া আখতারকে বেরোতে দেখা যায়, যা জল্পনাকে আরও উসকে দেয়।‘ডন’ ফ্র্যাঞ্চাইজির ঐতিহ্য, নতুন প্রজন্মের দর্শকের প্রত্যাশা এবং তারকা-সমীকরণের ভারসাম্য, সব মিলিয়ে ‘ডন ৩’ শুধু একটি ছবি নয়, বরং ইন্ডাস্ট্রির এক মর্যাদার লড়াই।