দীপিকার ‘অনুভব’
বলিউডে নির্দিষ্ট কাজের সময় নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। তবে সম্প্রতি সেই আলোচনাই ফের সামনে এসেছে, যখন পরিচালক অনুভব সিনহা গত বছরের একটি বহুল আলোচিত বিতর্ক প্রসঙ্গে মত প্রকাশ করেন। বিষয়টি ছিল অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন–এর মাতৃত্বের পর তুলনামূলক কম সময়ের শিফটে কাজ করার অনুরোধ ঘিরে।
এই প্রসঙ্গে অনুভবের বক্তব্য স্পষ্ট, বিষয়টি অযথা বড় করে দেখা হয়েছে। তাঁর মতে, এমন বিষয় জনসমক্ষে তর্ক-বিতর্কের রূপ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। অভিনেতা ও নির্মাতার মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে ব্যক্তিগতভাবে সমাধান হওয়াই স্বাভাবিক। সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “কোনও অভিনেতা যদি দিনে ছ’ঘণ্টা কাজ করতে চান এবং আপনি তাতে স্বচ্ছন্দ না হন, তাহলে তাঁর সঙ্গে কাজ করবেন না। বিষয়টা এতটাই সহজ।” তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে সহযোগিতার মূল দর্শন—চলচ্চিত্র শিল্পে সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত পারস্পরিক সম্মতি।
অক্ষয়ের সতর্কবার্তা
বাংলায় আজ দোল। অবশ্য দেশের বাকি রাজ্যে আজ ন্যাড়া পোড়া অর্থাৎ হোলিকা দহন। দেশজুড়ে এহেন উৎসবের আবহে আগুনের শিখায় পুড়ে যাক অশুভ, আর রঙের উৎসবে ভরে উঠুক আগামী দিন -এই বার্তাই ছড়িয়ে দিলেন একাধিক বলিউড তারকা। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন অক্ষয় কুমার, যিনি ভক্তদের উদ্দেশে পাঠালেন বিশেষ শুভেচ্ছা এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুরোধ, নিরাপদে হোলি খেলুন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় অভিনেতা এদিন ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি রঙিন ভিডিও শেয়ার করেন। ভিডিওটিতে ছিল উৎসবের উজ্জ্বল আবহ, আর তার সঙ্গেই ছিল তাঁর উষ্ণ বার্তা। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “একটু রং, একটু মজা আর অনেকটা আনন্দ ,আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে জানাই হোলির শুভেচ্ছা। সাবধানে রঙের খেলায় মেতে উঠুন!” উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি সতর্কতার কথা মনে করিয়ে দেওয়ায় ভক্তদের প্রশংসাও কুড়িয়েছেন অভিনেতা। কারণ প্রতি বছরই হোলির সময়ে নানা দুর্ঘটনা, রঙের অপব্যবহার বা অসাবধানতার খবর সামনে আসে। সেই প্রেক্ষিতে জনপ্রিয় তারকারা যখন দায়িত্বশীল বার্তা দেন, তা অনেকের কাছেই প্রভাব ফেলে।
নিরাপদে দেশে ফিরলেন এষা
মধ্যপ্রাচ্যে হঠাৎ করে বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনার জেরে বিমান চলাচলে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইরানকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি দ্রুত অস্থির হয়ে ওঠে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে আন্তর্জাতিক উড়ান পরিষেবায়। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই আবু ধাবি বিমানবন্দরে আটকে পড়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী এষা গুপ্ত।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিমানবন্দরে পৌঁছনোর পর থেকেই অনিশ্চয়তা শুরু হয়। পরে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা এক দীর্ঘ বার্তায় এষা জানান, দুপুর একটা নাগাদ হঠাৎ করেই বিমানবন্দর বন্ধ হয়ে যায়। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে বিভ্রান্তি ও উৎকণ্ঠা। প্রথমে কেউ স্পষ্টভাবে জানতেন না কী ঘটেছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর আসতে শুরু করে, আর সেই সঙ্গে বাড়তে থাকে আতঙ্ক।এষার কথায়, “কেউ জানত না পরের মুহূর্তে কী হতে পারে।” যাত্রীরা একে অপরকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন, ফোনে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছিলেন। অচেনা মানুষদের মধ্যে তৈরি হয়েছিল অদ্ভুত এক সংহতি, ভয় আর অনিশ্চয়তার মধ্যে দাঁড়িয়ে।
তিনি আরও জানান, বিমানবন্দরে যাত্রীদের খাবারের জন্য নগদ অর্থ দেওয়া হয়। পরে আবু ধাবির যে হোটেলগুলো খালি ছিল, সেখানে যাত্রীদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়। স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশেই হোটেলগুলো এই ব্যবস্থায় অংশ নেয়। আকস্মিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও প্রশাসনিক সহযোগিতায় অনেকটাই স্বস্তি পান যাত্রীরা।এদিন ৩ মার্চ এষা জানান, তিনি নিরাপদে ‘বাড়ি’ ফিরেছেন। প্রার্থনা ও শুভেচ্ছার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিরাপদে ফিরতে পারায় তিনি কৃতজ্ঞ।
