আরব সাগরে লক্ষ ঢেউ। কোনও ঢেউ ভাঙে, কোন ঢেউ গড়ে... জানতে পারেন কেউ? মায়ানগরীর আনাচেকানাচে গুনগুন ফিসফাস। খবরের কানাকানিতে থমকে বাতাস। সারা দিনের খবরাখবর শেষবেলায় আজকাল ডট ইনের পাতায়...
দৃশ্যম ৩ এর মুক্তি স্থগিত
মালয়ালম সুপারস্টার মোহনলালের বহুল প্রতীক্ষিত ছবি দৃশ্যম-৩ এর মুক্তি স্থগিত করা হয়েছে। ছবিটি এপ্রিল মাসে মুক্তি পাবে এমনটা বলা হলেও মুক্তির নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, ছবিটি বিশ্বজুড়ে মুক্তি পাবে ২১ মে ২০২৬-এ। পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কারণ ওই অঞ্চলে মালয়ালম ছবির ব্যবসা ভাল হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদেশে বক্স অফিস ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ছবির পোস্টার শেয়ার করে মোহনলাল এই সিনেমা মুক্তির দিন বদলের কথা লিখেছেন।
বক্স অফিস কা বাপ: আদিত্যকে রজনীকান্ত
রজনীকান্ত সম্প্রতি ধুরন্ধর দ্য রিভেঞ্জ দেখে পরিচালক আদিত্য ধরের প্রশংসা করেছেন৷ তাঁকে “বক্স অফিস কা বাপ” বলে অভিহিত করেছেন। এক্স হ্যান্ডলে রজনীকান্ত লিখেছেন, “কি দারুণ ছবি ধুরন্ধর! আদিত্য ধর বক্স অফিস কা বাপ!" রণবীর সিং-সহ ছবির সমস্ত কলাকুশলীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন৷ প্রত্যেক ভারতীয়ের এই ছবি অবশ্যই দেখা উচিত এমনটাও বলেছেন রজনীকান্ত৷ এই ছবিটি ইতিমধ্যেই দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। বক্স অফিসেও সাফল্য পেয়েছে৷দক্ষিণ ভারতের আরও বহু তারকা ছবিটির প্রশংসা করেছেন। দর্শকমহলে তুমুল জনপ্রিয়তা এই ছবির৷ ছবিটিতে প্রধান ভূমিকায় রয়েছেন রণবীর সিং। এছাড়াও আছেন আর মাধবন, রাকেশ বেদী, অর্জুন রামপাল এবং সঞ্জয় দত্ত৷
ধুরন্ধর- এর শুটিংয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে রণবীর
ধুরন্ধর-এর সাফল্যের মধ্যেই প্রকাশ্যে শুটিংয়ের ঘটনা, যেখানে রণবীর সিং- এর মানবিক দিকের প্রশংসা হচ্ছে৷ অভিনেতা গুরুসেবক সিং সম্প্রতি একটি আবেগঘন অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি জানিয়েছেন শুটিং চলাকালীন একটি অ্যাকশন দৃশ্যে দুর্ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, অমৃতসরের একটি জায়গায় একটি অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিং করা হচ্ছিল৷ শুট করার সময় দুর্ঘটনা ঘটে। সেই দৃশ্যে তাঁর হাতে একটি বোম ছিল। বোমকে ট্র্যাক্টরের চাকার মাঝে রেখে নিজেকে সুরক্ষিত করতে হত, এই সময় রণবীর সিংও ছিলেন।
কিন্তু শুটিং চলাকালীন দু’জনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়— “ওর বন্দুক আমার পেটে লাগে, আর আমার বন্দুকের হোস গিয়ে লাগে ওর কনুইয়ে।" দুর্ঘটনার পর পরিস্থিতি সামলানোর ক্ষেত্রে রণবীর সিংয়ের আচরণই সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে। জানা যায়, নিজে আহত হওয়া সত্ত্বেও তিনি শান্ত ছিলেন এবং সহ-অভিনেতাকে দোষারোপ না করে বরং তাকে সাহস জুগিয়েছেন। গুরসেওয়াক সিং জানান, তিনি ভয়ে এবং ব্যথায় কাঁদছিলেন এবং বারবার দুঃখ প্রকাশ করছিলেন। কিন্তু রণবীর তাঁকে আশ্বস্ত করেন যে এসব অ্যাকশন দৃশ্যে এমন ঘটনা ঘটতেই পারে এবং এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এমনকি দু’জন আহত হওয়া সত্ত্বেও শুটিং থেমে থাকেনি। —পরবর্তী আরও ৩৫ দিন ধরে শুটিং চলেছিল। এই ঘটনা প্রমাণ করে, রণবীর শুধু একজন দক্ষ অভিনেতাই নন, তিনি একজন সহানুভূতিশীল এবং সহকর্মীদের পাশে থাকা মানুষ।
