বাড়ির পরিচারিকার সঙ্গে অশালীন আচরণ! গ্রেফতার টলিপাড়ার জনপ্রিয় নায়ক। হইচই সোশ্যাল মিডিয়ায়। ঠিক কী হয়েছে? কার বিরুদ্ধে উঠেছে এমন অভিযোগ? আসলে এই ঘটনা বাস্তবে নয় বরং ঘটেছে ছোটপর্দায়। যদিও এক্ষেত্রে মিথ্যে অভিযোগে নায়ককে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। পুরো বিষয়টা দেখা যেতে চলেছে জি বাংলার ধারাবাহিক 'তারে ধরি ধরি মনে করি'তে।
সদ্য প্রকাশ্যে এসেছে ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ব্রজধামে পুলিশ এসেছে। গোরাচাঁদকে বিনা দাস অর্থাৎ তাদের বাড়ির পরিচারিকার শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার করা হচ্ছে। দিতি কিছুতেই বিশ্বাস করে না যে গোরা এমন করতে পারে। সে সঙ্গে সঙ্গে বিনাকে জিজ্ঞেস করে কেন এমন অভিযোগ আনল সে? দিতির কথা শুনে বিনা কেঁদে ফেলে। সে জানায়, তার ছেলেকে পুলস্ত ও তার বন্ধু মিলে কিডন্যাপ করেছে। আর তারাই বিনাকে জোর করে গোরার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনতে বলেছে।
এই কথা শুনে দিতি রাগে ফেটে পড়ে। ভাবতে থাকে কীভাবে গোরাকে উদ্ধার করা যায়? তখনই দিতিকে পথ দেখান স্বয়ং মহাপ্রভু। দিতি বুঝতে পারে মহাপ্রভুর সঙ্গে সে এগিয়ে চলছে। জলের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে দিতি। গোরাকে ভালবাসার পরীক্ষা দিতে গিয়ে কোন বিপদের মুখে পড়বে সে? উত্তর মিলবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই গল্পে দেখানো হয়েছিল পুলস্ত তার বাবা-মাকে নিয়ে গোরাদের বাড়িতে ঢোকে। তাকে এমন অসময়ে আসতে দেখে বেশ অবাক হয়ে যায় বাড়ির সবাই। পুলস্ত বাড়িতে পা দিয়েই বলে অনেকদিন পর নিজের বাড়িতে এসে তার খুব ভাল লাগছে। এটা তার নিজের বাড়ি হবে কেন? প্রশ্ন করে গোরা। কিন্তু পুলস্তর জবাব শুনে সবাই চমকে যায়।
পুলস্ত জানায়, গোরার দাদু এক সময় নিজের ভাইপো অর্থাৎ পুলস্তর বাবা-মাকে এই বাড়িতে থেকে বের করে দিয়েছিল। তাই এই বাড়ির সঙ্গে তার যোগসূত্র আছে। এই কথা শুনে চমকে ওঠে গোরা। এমনকী দাদুও কোনও কথা বলতে পারে না। অন্যদিকে, পুলস্ত অদ্বিতীয়ার হাত টেনে ধরে, জানায় এবার বাড়ির অধিকার যেমন বুঝে নেবে, তেমন সে প্রমাণ করে দেবে অদ্বিতীয়া তার বাগদত্তা। এই কথা শুনে গর্জে ওঠে অদ্বিতীয়া। সে জানায়, তার একমাত্র পরিচয় সে গোরাচাঁদ গোস্বামীর স্ত্রী রূপমঞ্জুরী। যদিও পুলস্তকে শায়েস্তা করে বাড়ি থেকে তাড়াতে পেরেছে দিতি। কিন্তু গোরার জীবন থেকে এই অপবাদ কীভাবে মুছবে সে? সেটাই দেখার জন্য অপেক্ষায় দর্শক।
















