বিজেপির ধাক্কায় কার্যত ধসে গিয়েছে তৃণমূলে ১৫ বছরের শাসন । এখনও পর্যন্ত ২০৫টি আসন দখল করার পথে বিজেপি। অন্যদিকে, ৮২ কেন্দ্রে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস। শশী পাঁজা, ব্রাত্য বসু, সুজিত বসু, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য -এর মতো হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থীরা হেরে গিয়েছেন। জিতেছেন মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, শোভন দেব চট্টোপাধ্য়ায়রা। আর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট হতেই সরব হয়েছে টলিপাড়া। বাংলা ছবি ইন্ডাস্ট্রিতে ‘ব্যান’  হয়ে যাওয়া অনির্বাণ ভট্টাচার্য, ঋদ্ধি সেন -এর মতো অভিনেতাদের জন্য এবার প্রশ্ন তুললেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। 


 টালিগঞ্জে ফেডারেশনের সঙ্গে বেশ কিছু অভিনেতা ও পরিচালকের সমস্যা তৈরি হয়েছিল। তার মধ্যে অনির্বাণ ভট্টাচার্য একজন। তিনি প্রায় ৬ মাস কোনও কাজ পাননি। তাঁর জন্য বারংবার দেবকে সরব হতে দেখা গিয়েছে। অনির্বাণের হয়ে হাত জোড় করে ফেডারেশনের কাছে দেবকে ক্ষমা পর্যন্ত চাইতে দেখা গিয়েছিল। এই তৃণমূল সাংসদ তথা নায়ক দেব মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কাছে অনুরোধও করেছিলেন অনির্বাণের হয়ে।  একই সমস্যায় ভুগছেন ঋদ্ধি সেনও। চলতি বছর জানুয়ারিতে পরিচালক সুমন ঘোষ একটা ছবির ঘোষণা করেছিলেন। নাম ‘শ্রীরামপুর ডায়ারিজ’। সেখানে অভিনয় করার কথা ছিল ঋদ্ধির। কিন্তু টেকনিশিয়ানরা নাকি ঋদ্ধির সঙ্গে কাজ করতে রাজি নন। সেই কারণে আপাতত ছবিটির শুটিং হচ্ছে না। এরপর ফেসবুকে ফেডারেশনের উদ্দেশ্যে কটাক্ষ করে ঋদ্ধি একটি পোস্টও করেন। একটি সাক্ষাৎকারে এও বলেছিলেন স্পষ্টভাবে, “...ক্ষমা চাওয়ার কথা ভাবছি না। তাতে বাংলা ছবিতে অভিনয় করতে পারলে করব, না করতে পারলে করব না।”

 

 


এরপর জল গড়ায় বহুদূর। টলিপাড়ায় আলাপ-আলোচনা, রাগ-অনুরাগ, নানান কথা কাটাকাটি পেরিয়েও এই সমস্যার সমাধান হয়নি। তাই সমাজমাধ্যমে ছোট্ট অথচ স্পষ্ট করে স্বস্তিকার প্রশ্ন – আমাদের কাজের জায়গায় ‘ব্যান’ এর বিষয়গুলো তাহলে কী দাঁড়াচ্ছে?”

অভিনেত্রীর ইঙ্গিত কিন্তু স্পষ্ট। আগত নয়া সরকারের কাছে তাঁর এই প্রশ্নের মাধ্যমেই বার্তা এবার যেন টলিপাড়ায় সকলে মিলেমিশে কাজন করতে পারেন। কোনও শিল্পী যেন আর ‘ব্যান’  না হয়ে থাকেন।