শনিবার রবীন্দ্রজয়ন্তীতে রচিত হল এক নতুন ইতিহাস। ব্রিগেডে পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বাংলার ইতিহাসে এই প্রথমবার ক্ষমতায় গেরুয়া শিবির। এই ঐতিহাসিক দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে কলকাতার গড়ের মাঠে আড়ম্বর, জাঁকজমকের সর্বোতভাবে আয়োজন করে ভারতীয় জনতা পার্টি। এরাজ্যে গৈরিকীকরণের সাক্ষী থাকলেন বাংলার বিনোদন জগতের বহু শিল্পীও।
তৃণমূল সরকারের যে কোনও অনুষ্ঠানে টলিপাড়ার তারকাদের উপস্থিতি নজর আসত। স্বাভাবিকভাবেই পালাবদলের পর এদিন কারা কারা উপস্থিত থাকবেন, তা নিয়ে আগে থেকেই ফিসফাস শুরু হয়েছিল। খুব প্রত্যাশিতভাবে এদিন দেখা যায় মিঠুন চক্রবর্তীকে। নির্বাচনে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে পদ্ম শিবিরের হয়ে প্রচারে ছিলেন তিনি। এবার জয়ের পরও নরেন্দ্র মোদি ও আমিত শাহ সহ কেন্দ্র-রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে একমঞ্চে থাকলেন 'মহাগুরু'।
শোনা গিয়েছিল, পদ্ম পুরস্কার প্রাপ্ত বাংলার সমস্ত শিল্পীদের কাছে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছিল। সেই সম্ভাব্য তালিকায় ছিলেন মমতা শঙ্কর, পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী। এদিন বিগ্রেডে উপস্থিত ছিলেন দু'জনেই। শপথগ্রহণে গিয়ে কেমন অভিজ্ঞতা মমতা শঙ্করের? আজকাল ডট ইন-কে তিনি বলেন, "একটা খুশির ব্যাপার আছে, নতুন আশা রয়েছে। আমরা যে জায়গায় চলে যাচ্ছিলাম সেখান থেকে আবার শ্বাস নিতে পারলাম।"

বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরই শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন অভিনেতা জিৎ। এদিন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ছিলেন তিনি। সঙ্গে দেখা যায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্তকেও। এছাড়াও সুমন বন্দ্যোপাধ্যায়, ঋষি কৌশিক সহ টেলিভিশনের বেশ কয়েকজন তারকাকেও উপস্থিতি নজরে আসে।
অন্যদিকে, টলিপাড়া থেকে বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা অর্থাৎ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, পাপিয়া অধিকারী এবং শর্বরী মুখোপাধ্যায় ছিলেন নবমুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে। শুরু থেকেই অনুষ্ঠানের তদরকিতে ছিলেন সাংসদ তথা অভিনেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়।















