শনিবার রবীন্দ্রজয়ন্তীতে রচিত হল এক নতুন ইতিহাস। ব্রিগেডে পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বাংলার ইতিহাসে এই প্রথমবার ক্ষমতায় গেরুয়া শিবির। এই ঐতিহাসিক দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে কলকাতার গড়ের মাঠে আড়ম্বর, জাঁকজমকের সর্বোতভাবে আয়োজন করে ভারতীয় জনতা পার্টি। এরাজ্যে গৈরিকীকরণের সাক্ষী থাকলেন টলিউডের বহু শিল্পীও। 

শপথগ্রহণের সাক্ষী থাকার আমন্ত্রণ গিয়েছিল বহু টলি তারকার কাছেই। এদিন আমন্ত্রণ পেয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন পরিচালক জয়ব্রত দাস। আজকাল ডট ইন-কে জয়ব্রত বলেন, "এদিন বাংলায় এক নতুন যুগের শুরু হতে দেখলাম। মানুষ যে পরিবর্তনের আশায় সরকার বদল করেছেন, সেই আশা পূরণ হবে বলেই মনে করি। টলিউডেও নতুনের সূচনা হোক সেই সঙ্গে। যতদিন ছবি বানাচ্ছি দেখেছি এখানে সবাই খুব ভয়ে কাজ করে। চারদিক থেকে বিভিন্ন চাপ আসে, তার মধ্যেই কাজ হয়। এবার চাই ভয় মুক্ত টলিউডকে দেখতে‌। আজ শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ করার পাশাপাশি আমি অন্তত এই আশা করেছি মনে মনে।"

এদিনের মঞ্চে খুব প্রত্যাশিতভাবে দেখা যায় মিঠুন চক্রবর্তীকে। নির্বাচনে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে পদ্ম শিবিরের হয়ে প্রচারে ছিলেন তিনি। শোনা গিয়েছিল, পদ্ম পুরস্কার প্রাপ্ত বাংলার সমস্ত শিল্পীদের কাছে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছিল। সেই সম্ভাব্য তালিকায় ছিলেন মমতা শঙ্কর, পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী। এদিন বিগ্রেডে উপস্থিত ছিলেন দু'জনেই।  বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরই শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন অভিনেতা জিৎ। এদিন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ছিলেন তিনি। সঙ্গে দেখা যায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্তকেও। এছাড়াও সুমন বন্দ্যোপাধ্যায়, ঋষি কৌশিক সহ টেলিভিশনের বেশ কয়েকজন তারকাকেও উপস্থিতি নজরে আসে। 

অন্যদিকে, টলিপাড়া থেকে বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা অর্থাৎ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, পাপিয়া অধিকারী এবং শর্বরী মুখোপাধ্যায় ছিলেন নবমুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে। শুরু থেকেই অনুষ্ঠানের তদরকিতে ছিলেন সাংসদ তথা অভিনেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়।