আরব সাগরে লক্ষ ঢেউ। কোনও ঢেউ ভাঙে, কোন ঢেউ গড়ে... জানতে পারেন কেউ? মায়ানগরীর আনাচেকানাচে গুনগুন ফিসফাস। খবরের কানাকানিতে থমকে বাতাস। সারা দিনের খবরাখবর শেষবেলায় আজকাল ডট ইনের পাতায়...।

'রামায়ণ'-এর শুটিং শুরু সানির

সানি দেওল আগামী এপ্রিল মাসেই নিতেশ তিওয়ারির 'রামায়ণ: পার্ট ওয়ান' সিনেমার শুটিং শুরু করছেন। ছবিতে তাঁকে হনুমানের চরিত্রে দেখা যাবে। জানা যাচ্ছে, অভিনেতা এপ্রিল মাসের মধ্যেই তাঁর অংশের সমস্ত শুটিং শেষ করার পরিকল্পনা করেছেন যাতে এরপর তিনি পুনরায় তাঁর চলমান অ্যাকশন ছবির কাজে ফিরতে পারেন। সানি বর্তমানে জ্যোতিকা এবং বিজয় বর্মার সঙ্গে একটি অ্যাকশন ঘরানার কাজ করছেন, যা শেষ হওয়া মাত্রই তিনি রামায়ণের সেটে যোগ দেবেন। এই বিগ-বাজেট ছবিতে 'রাম'-এর ভূমিকায় রণবীর কাপুর, 'সীতা'র চরিত্রে সাই পল্লবী এবং 'রাবণ' হিসেবে দক্ষিণী 'সুপারস্টার' যশ থাকছেন। সব ঠিক থাকলে ২০২৬ সালের দীপাবলিতে ছবিটির প্রথম অংশ মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

'রোম্যান্স'-এ বাধা আমিরের!

বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ আমির খান রুপালি পর্দায় একের পর এক কালজয়ী রোমান্টিক সিনেমা উপহার দিয়েছেন। ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’ থেকে শুরু করে ‘দিল’, ‘রাজা হিন্দুস্তানি’ কিংবা ‘ফানা’, প্রেমের গল্পে দর্শকদের বারবার মন্ত্রমুগ্ধ করেছেন তিনি। কিন্তু সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা যে তথ্য ফাঁস করলেন, তা শুনে রীতিমতো চমকে গিয়েছেন তাঁর অনুরাগীরা। আমির জানিয়েছেন, তাঁর শৈশব ও কৈশোরে বাড়িতে রোমান্টিক সিনেমা দেখার ওপর ছিল কড়া নিষেধাজ্ঞা। সম্প্রতি মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আমির জানান, তাঁর পরিবার অত্যন্ত রক্ষণশীল ছিল। পেশাগতভাবে তাঁর বাবা ও কাকা চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও, কিশোর বয়সে আমিরকে অনেক কিছুই করার অনুমতি দেওয়া হত না। বিশেষ করে প্রেমের ছবি দেখার ক্ষেত্রে বড়দের কড়া নজরদারি থাকত। 

দিয়ার 'অপয়া' তকমা

এক সাক্ষাৎকারে দিয়া মির্জা জানান, কেরিয়ারের শুরুর দিকে পর পর কয়েকটি সিনেমা বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ায় তাঁকে ‘অশুভ’ তকমা দেওয়া হয়েছিল। সাধারণত ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে সাফল্যই শেষ কথা বলে। দিয়ার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তাঁর অভিনীত প্রথম ছবি 'রেহনা হ্যায় তেরে দিল মেঁ' আজ একটি 'কাল্ট ক্লাসিক' হিসেবে বিবেচিত হলেও, মুক্তির সময় সেটি ব্যবসায়িকভাবে বিশেষ সফল হয়নি। এরপর তাঁর বেশ কয়েকটি ছবি পর পর ব্যর্থ হওয়ায় ইন্ডাস্ট্রির একাংশ তাঁকে 'অপয়া' বলে দেগে দেয়। দিয়ার কথায়, "আমার মনে হয়, আমি সবার ধারণা ভুল প্রমাণ করে নিজের এক আলাদা পরিচয় তৈরি করতে পেরেছি। কেরিয়ারের শুরুতে সবাই আমাকে ঐশ্বর্য রাইয়ের সঙ্গে তুলনা করত, আমার মনে আছে, এই তুলনাটা এক সময় সুযোগ পাওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এরপর আমার বেশ কিছু সিনেমা বক্স অফিসে ব্যর্থ হল। আর সিনেমা ফ্লপ হলে আপনি কর্মহীন হয়ে পড়বেন এটাই স্বাভাবিক, কারণ যারা একদিন আপনার দরজায় লাইন দিত, তারাই হুট করে আপনাকে 'অপয়া' ভাবতে শুরু করবে। আমি জীবনের এই সব কটি ধাপ পার করে এসেছি।"