আরব সাগরে লক্ষ ঢেউ। কোনও ঢেউ ভাঙে, কোন ঢেউ গড়ে... জানতে পারেন কেউ? মায়ানগরীর আনাচেকানাচে গুনগুন ফিসফাস। খবরের কানাকানিতে থমকে বাতাস। সারা দিনের খবরাখবর শেষবেলায় আজকাল ডট ইনের পাতায়...।
অভিনয় ছাড়তে চেয়েছিলেন শ্রীলীলা?
সমাজমাধ্যমে কটাক্ষের পরিমাণ এতটাই বেড়ে গিয়েছে যে এখন তা মানুষের মনে সরাসরি আঘাত হানে। এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে এক সাক্ষাৎকারে শ্রীলীলা জানিয়েছেন যে একটা সময় তাঁর ব্যক্তিগত জীবন ও অভিনয় দক্ষতা নিয়ে কুরুচিকর আক্রমণ এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তাঁর কথায়, "মানুষের সমালোচনা যখন সীমা ছাড়িয়ে যায়, তখন মনে হয় সব ছেড়ে দূরে কোথাও চলে যাই।" মাত্র অল্প বয়সেই আকাশছোঁয়া সাফল্য পেলেও এই ঘৃণা তাঁর মনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছিল। তিনি বলেন, "ইন্ডাস্ট্রিতে যখন প্রথম কাজ শুরু করি, তখন আমার সঙ্গে অনেককিছু হয়েছিল। তখন খুব খারাপ লাগত, কষ্ট হত। এমনকী মাকেও বলেছিলাম যে আমার হয়তো কলেজেই ফিরে যাওয়া উচিত, অভিনয় আমার জন্য নয়। আসলে তখন খুবই সেনসিটিভ ছিলাম, এখন অনেকটা অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি।"
বিরাট মোড় রোহিত শেট্টির মামলায়
পরিচালক রোহিত শেট্টির বাড়ির বাইরে গুলিবর্ষণের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়। মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চ এই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে উত্তরপ্রদেশ থেকে ১৪তম অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। মুম্বই পুলিশের বিশেষ শাখা উত্তরপ্রদেশের লখনউ থেকে এই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে, যা এই মামলার তদন্তে বড় মোড় হিসেবে উঠে আসছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে যে, ধৃত ব্যক্তি এই অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে সরাসরি যুক্ত ছিল এবং আক্রমণকারীদের অস্ত্র সরবরাহ থেকে শুরু করে তাদের পালাতে সাহায্য করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। গত কয়েক মাস ধরেই রোহিত শেট্টির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, বিশেষ করে গত মাসে যখন জুহু এলাকায় তার বাসভবনের বাইরে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। ঘটনার পরপরই লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নাম সামনে আসে, যা বিষয়টিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে। মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চের একজন উচ্চপদস্থ আধিকারিকের কথায়, "আমরা ধাপে ধাপে এই চক্রের প্রতিটি সদস্যকে ধরার চেষ্টা করছি। ১৪তম গ্রেফতারি প্রমাণ করে যে এই জট কত গভীরে ছড়িয়ে আছে। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সহযোগিতায় এই অভিযান চালানো হয়েছে এবং ধৃতকে মুম্বই নিয়ে আসা হচ্ছে।"
ঈদের শুভেচ্ছায় ব্রাত্য শাহরুখ
প্রতি বছর ঈদের সকালে মুম্বইয়ের ‘মান্নাত’-এর বাইরে যে জনজোয়ার দেখা যায়, এবারে সেখানে যেন কিছুটা ভাটার টান। বহু আশা নিয়ে হাজার হাজার অনুরাগী প্রিয় তারকাকে এক পলক দেখার জন্য ভিড় জমিয়েছিলেন শাহরুখের প্রাসাদের বাইরে। কিন্তু দিন ফুরিয়ে গেলেও কিং খানের দেখা মিলল না সেই চিরাচরিত ব্যালকনিতে। সাধারণত দেখা যায়, ঈদ হোক বা জন্মদিন, মান্নাতের রেলিংয়ে দাঁড়িয়ে দুহাত ছড়িয়ে 'সিগনেচার পোজ' দেবেন শাহরুখ খান। সঙ্গে থাকে ছোটছেলে আব্রাম। এটাই দীর্ঘ বছরের রীতি। কিন্তু এবারের ঈদে শাহরুখ ভক্তদের হতাশ হতে হয়েছে। নিরাপত্তার কড়াকড়ি কিংবা অন্য কোনও ব্যক্তিগত কারণে এবার আর অনুরাগীদের শুভেচ্ছা জানাতে হাজির হননি 'বাদশা'। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও যখন প্রিয় নায়কের দেখা মিলল না, তখন অনুরাগীদের চোখেমুখে দেখা যায় বিষণ্ণতার ছাপ। কেউ কেউ অনেক দূর থেকে এসেছিলেন শুধুমাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্য শাহরুখকে চাক্ষুষ করতে। কিন্তু এই বছর ঈদে এক ঝলকও দেখা মিলল না 'কিং'-এর।
