রণবীর-এ ভরসা
নীতেশ তিওয়ারির ‘রামায়ণ’ নিয়ে এখন সরগরম বলিপাড়া। এদিকে রামানন্দ সাগরের কালজয়ী ‘রামায়ণ’ ধারাবাহিকটি আজও ভারতীয় দর্শকদের হৃদয়ে গেঁথে আছে। তাই নীতেশ তিওয়ারির নতুন প্রজেক্ট নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল ছিল তুঙ্গে। সম্প্রতি মোতি সাগর পিটিআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, রণবীর কাপুর একজন অত্যন্ত সুদক্ষ অভিনেতা এবং তিনি যে রাম-এর চরিত্রে প্রাণ ঢেলে দেবেন, সে বিষয়ে মোতি সাগর নিশ্চিত। ‘রামায়ণ’ ছবির কাস্টিং নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে, সেটিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তিনি। তাঁর মতে, রণবীর এই চরিত্রের জন্য অনেক গভীরে গিয়ে প্রস্তুতি নিয়েছেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন, “স্রেফ টিজার দেখে কাউকে বিচার করা যায় না। আমি পুরো সিনেমা দেখার জন্য মুখিয়ে আছি।”
ভিকির ‘মহাবতার’-এ শ্রদ্ধা
‘ছাভা’ ছবিতে ভিকি কৌশলের পারফরম্যান্স আজও দর্শকদের চোখে লেগে আছে। সেই সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হয়েছে তাঁর পরবর্তী কাজ ‘মহাবতার’-এর তোড়জোড়। পরিচালক অমর কৌশিক আর প্রযোজক দীনেশ ভিজান এবার ভিকির বিপরীতে এমন কাউকে চাইছেন যার ‘স্টার ভ্যালু’ ছবিকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। সেই সূত্রেই উঠে আসছে শ্রদ্ধা কাপুরের নাম। শোনা যাচ্ছে, শ্রদ্ধার উপস্থিতি ছবিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে।
আগে শোনা গিয়েছিল দীপিকা পাড়ুকোনের নাম। নির্মাতারা চেয়েছিলেন পরশুরামের বিপরীতে এমন এক অভিনেত্রীকে, যার অভিনয়ে গভীরতা এবং গাম্ভীর্য থাকবে। তবে সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, শ্রদ্ধা কাপুরের সঙ্গে আলোচনা অনেকদূর এগিয়েছে। শ্রদ্ধা যদি এই প্রজেক্টে সই করেন, তবে ভিকি-শ্রদ্ধা জুটিকে প্রথমবার পর্দায় দেখার অভিজ্ঞতা হবে দর্শকদের কাছে পাওনা।
অক্ষয় যখন ‘ফেলুদা’!
পর্দায় তিনি ‘খিলাড়ি’, ব্যক্তিজীবনে প্রচণ্ড শৃঙ্খলাবদ্ধ এক মানুষ। কিন্তু এই অক্ষয় কুমারই কি না স্কুল জীবনে তিন-তিনবার ফেল করেছিলেন! সম্প্রতি জনপ্রিয় গেম শো ‘হুইল অফ ফরচুন’-এর মঞ্চে হাজির হয়ে নিজের ছোটবেলার এমনই এক বিস্ফোরক ও মজাদার তথ্য ফাঁস করলেন বলিউড সুপারস্টার। শুধু তাই নয়, লাইভ অডিয়েন্সের মধ্যে বসে থাকা নিজের প্রাণের বন্ধু জিনেশকে সবার সামনে এনে স্মৃতিচারণ করলেন অভিনেতা।
অনুষ্ঠানে প্রতিযোগীদের সঙ্গে কথা বলার সময় হঠাৎই দর্শকাসনে বসে থাকা জিনেশের দিকে আঙুল তোলেন অক্ষয়। অভিনেতা জানান, জিনেশের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব সেই কিন্ডারগার্টেন থেকে। কিন্তু চমকপ্রদ তথ্যটি হলো, তাঁরা দুজনেই স্কুল জীবনে বেশ ‘ফেলুদা’ ছিলেন। হাসিমুখে অক্ষয় বলেন, “আমরা কেজি থেকে একসঙ্গে আছি, আর কেজি থেকে ক্লাস নাইনের মধ্যে আমরা দুজনেই তিন-তিনবার ফেল করেছি!” সুপারস্টারের মুখে এমন অকপট স্বীকারোক্তি শুনে উপস্থিত সবাই হাসিতে ফেটে পড়েন।অক্ষয় যখন মজা করে জিনেশকে জিজ্ঞেস করেন যে, কেন সে বারবার ফেল করত, তখন জিনেশের উত্তর ছিল আরও চমকপ্রদ। জিনেশ পাল্টা খোঁচা দিয়ে বলেন, “আমি তোমার সঙ্গে সময় কাটাতাম বলেই ফেল করতাম!” বন্ধুর এমন সপাটে জবাবে অক্ষয় নিজেও হাসি থামাতে পারেননি।
















