সমাজমাধ্যমে বেশ অ্যাক্টিভ রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। কাজের পাশাপাশি নিজের ছোটখাটো অভিজ্ঞতা, থেকে শুরু করে বিভিন্ন জিনিসই অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি। এদিনও তার অন্যথা হল না। 'বাঞ্ছারামের বাগান' -এ পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। আর ভাগ করে নিলেন সেই অভিজ্ঞতাই। 

তপন সিনহার লেখা সাজানো বাগান নাটকের উপর ভিত্তি করে ১৯৮০ সালে তিনিই তৈরি করেছিলেন 'বাঞ্ছারামের বাগান'। মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন মনোজ মিত্র। বাংলা সিনে জগতের অন্যতম কাল্ট ছবি এটি। এই 'বাঞ্ছারামের বাগান' ছবিটির শুটিং হয়েছিল যেখানে, সেই বাগানে এদিন দীর্ঘ ২২ বছর পর আবার ফিরে গিয়েছিলেন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তারই অভিজ্ঞতা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন। 

রাহুল এদিন 'বাঞ্ছারামের বাগান' -এ দাঁড়িয়ে বলেন, 'স্মৃতি, মেমোরি। আমি আছি এই মুহূর্তে একটা ঐতিহাসিক বাগান, মানে বাংলা ছবির একটা ঐতিহাসিক বাগানে। তপন সিনহার নির্দেশিত 'বাঞ্ছারামের বাগান' যেখানে হয়েছিল সেই বাগানে। এই বাগানের সঙ্গে আমার নিজস্ব একটা স্মৃতি আছে।' কী সেই স্মৃতি? অভিনেতা জানান, তিনি নিজেও এখানে একবার শুটিং করেছেন। সেই স্মৃতি হাতড়ে বলেন, 'আজ থেকে ২২-২৪ বছর আগে, যখন আমার ২০ বছর বয়স, তখন আমি এখানে এসেছিলাম শুটিং করতে। টাটকা গল্পে আটকা মাস, বুদ্ধদেব গুহর লেখার শুটিংয়ে এখানে এসেছিলাম। সেটার শুটিং হওয়ার কথা ছিল ম্যাকলাস্কিগঞ্জে। সেখানে দু'দিন শুটিং হওয়ার পর ডাকাত পড়ে, এবং ইউনিটের কয়েকজন মানুষকে এমন মারা হয়, এমন অত্যাচার করা হয় হয় যে আমাদের ওখানকার শুটিং গুটিয়ে এখানে চলে আসতে হয়। বাকি শুটিং আমরা এখানে করি। এটা ভীষণ সুন্দর একটা জায়গা। ২০০২ সালে যেমন ছিল, ২০২৬ সালেও, ২৪ বছর পর দেখছি একই আছে।'

প্রসঙ্গত, 'টাটকা গল্পে আটকা মাস' প্রজেক্টে রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছিলেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, রূপসা গুহ, সন্তু মুখোপাধ্যায়, প্রমুখ। রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমানে বড়পর্দা এবং ওয়েব মাধ্যমের পাশাপাশি ছোটপর্দাতেও জমিয়ে কাজ করছেন। 'দেশের মাটি', 'হরগৌরী পাইস হোটেল' সহ একাধিক ধারাবাহিকে কাজ করেছেন তিনি। আগামীতে তাঁকে একটি হরর কমেডি সিরিজে দেখা যাবে। সেখানে তাঁর সঙ্গে থাকবেন অভিনেত্রী শ্রীমা ভট্টাচার্য। শৌভিক দে এই সিরিজটি পরিচালনা করবেন। এই সিরিজে তাঁরা ছাড়াও থাকবেন আরিয়ান ভৌমিক এবং দেবরাজ ভট্টাচার্যকে। পাহাড়ি অঞ্চলে হয়েছে এই সিরিজের শুটিং।