ফেব্রুয়ারি মাসের গোড়ার দিকে 'ননসেন' ওরফে শমীক অধিকারীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগকারিণীর বয়ানের ভিত্তিতে পুলিশ কাস্টডিতে নেওয়া হয় তাঁকে। তোলা হয় আদালতে। প্রথমে জামিন না পেলেও, অবশেষে ৪৫ দিন পর জামিনে মুক্ত হয়ে বাইরে এলেন। একই সঙ্গে খারিজ হল তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা ধর্ষণের অভিযোগ। বাইরে বেরিয়ে কী জানালেন ননসেন?
এদিন জেল থেকে বেরিয়েই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জামিন প্রসঙ্গে শমীক বলেন, "আমি জানতাম সময় লাগবে, সত্যিটা বাইরে আসতে। কিন্তু...। সত্যি বলতে একটাই চিন্তা ছিল, বাবা মা কী দিয়ে যাচ্ছে। এই চিন্তাতেই আমি ভেঙে পড়েছিলাম। আমি বাড়ি ফিরছি, সেটা এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না।"
তিনি এদিন আরও বলেন, "আমায় ফাঁসানো হয়েছিল। সময় সেটার উত্তর দিয়েছে। সত্যের জয় হয়েছে। এই দাগটা আমার গায়ে লাগল, যে ক্ষতটা আমার হল, আমায় যে টেনে নামানোর চেষ্টা করা হল.... আমার বাবা মা, দাদা, আমার উকিলরা আমার পাশে থাকলে আমি এর দশ গুণ উপরে উঠব।"
স্বাভাবিক ভাবেই এদিন তাঁকে বেশ ভেঙে পড়তে দেখা যায়। দুঃসময়ের প্রসঙ্গে ননসেনের জবাব, "আমি আমার ভাল সময়, আমার বন্ধুদের সঙ্গে কাটিয়েছি। কিন্তু এই ঘটনার পর আপনাদের পিছনে খালি আমার মা বাবাকে দেখতে পেতাম। এই ঘটনা আমাকে আমার মা বাবার অনেক কাছে নিয়ে এল।" তবে তাঁর বাটন ভিডিওর জন্যই তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে কিনা জানতে চাইলে সোজাসুজি তিনি কিছু বলেননি, তাঁর মকে মানুষ সব বুঝেছে যে কী, কেন হয়েছে।
জামিনে মুক্ত হলেও আবারও কন্টেন্ট বানাতে পারবেন শমীক। তবে আছে কিছু শর্ত। এদিন তাঁর হয়ে তাঁর আইনজীবী বলেন, "জামিনের কিছু শর্ত আছে, সেগুলো ওকে মেনে চলতে হবে। ৩ মাস ওকে রেস্ট্রিকশন মেনে থাকতে হবে।" তবে যতই নিষেধাজ্ঞা থাকুক শমীক তাঁর অনুরাগীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "আপনারা যান, আমার আওয়াজকে আরও দৃঢ় করুন। আপনারা যত সাহায্য করবেন, যত ফলোয়ার বাড়বে, ভিউজ বাড়বে, তত দূর অবধি আমার কণ্ঠস্বর পৌঁছবে। আপনারা যদি পাশে না থাকেন আমি নিজেকে রেস্ট্রিক্ট করে নেব।"
