আরব সাগরে লক্ষ ঢেউ। কোনও ঢেউ ভাঙে, কোন ঢেউ গড়ে... জানতে পারেন কেউ? মায়ানগরীর আনাচেকানাচে গুনগুন ফিসফাস। খবরের কানাকানিতে থমকে বাতাস। সারা দিনের খবরাখবর শেষবেলায় আজকাল ডট ইনের পাতায়...
‘তুম্বড় ২’-তে বড় চমক
২০১৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘তুম্বড়’ ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে একটি কাল্ট ক্লাসিক হিসেবে পরিচিত। বহুদিন ধরেই প্রতীক্ষায় ‘তুম্বড় ২’।গত মার্চ মাসে এই ছবির সিক্যুয়েলের ঘোষণা করেছেন নির্মাতা। তবে এবার চমক আরও বড় হতে চলেছে। শোনা যাচ্ছে, সিক্যুয়েলে একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের জন্য বলিউডের প্রথম সারির কোনও অভিনেত্রীকে নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই বিশেষ চরিত্রের জন্য নাম উঠে আসছে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, ক্যাটরিনা কাইফ এবং দক্ষিণ ভারতীয় লেডি সুপারস্টার নয়নতারা। পরিচালক ও প্রযোজক দল এমন একজনকে খুঁজছেন, যাঁর উপস্থিতি সিনেমার গাম্ভীর্য এবং টানটান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।
মূল সিনেমাটি জনপ্রিয় হয়েছিল তার অনন্য ভিজ্যুয়াল এবং লোকগাথার উপর ভিত্তি করে তৈরি রহস্যময় গল্পের জন্য। সিক্যুয়েলেও সেই একই ধরণের রহস্য বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ধর্মেন্দ্রর জন্য আবেগপ্রবণ হেমা
বলিউডের ‘ড্রিম গার্ল’ হেমা মালিনী এবং ‘হি-ম্যান’ ধর্মেন্দ্রর রসায়ন কয়েক দশক ধরে দর্শকদের মুগ্ধ করে রেখেছে। পর্দার মতো বাস্তব জীবনও তাঁদের রসায়ন সকলের নজর কাড়ে। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে ধর্মেন্দ্রর সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন হেমা। তিনি জানান, আদর্শ স্বামী বা বাবার বাইরেও একজন শিল্পী হিসেবে ধর্মেন্দ্র তাঁর কাছে এক বিশাল অনুপ্রেরণা।বর্ষীয়ান অভিনেত্রীর কথায়, ধর্মেন্দ্রর অভিনয়ের প্রতি যে ভালবাসা এবং নিষ্ঠা, তা অতুলনীয়। দীর্ঘ কয়েক দশকের কেরিয়ারে তিনি যেভাবে নিজেকে ধরে রেখেছেন এবং প্রতিটি চরিত্রে প্রাণ সঞ্চার করেছেন, তা যে কোনও শিল্পীর কাছে শেখার মতো। হেমা আরও যোগ করেন যে, ধর্মেন্দ্র কেবল একজন দুর্দান্ত অভিনেতাই নন, তিনি একজন খুব ভাল বন্ধু এবং পথপ্রদর্শকও বটে। ব্যক্তিগত জীবনের নানা মুহূর্ত শেয়ার করতে গিয়ে হেমা জানান, ধর্মেন্দ্রর সরলতা এবং মানুষের প্রতি তাঁর ভালবাসা তাঁকে আজও মুগ্ধ করে। সন্তানদের প্রতি অভিনেতার দায়িত্বশীলতা এবং স্নেহ তাঁকে একজন আদর্শ বাবা হয়ে উঠে সাহায্য করে।
‘ওমকারা’-তে সইফের চরিত্র করতে চেয়েছিলেন ইরফান
বিশাল ভরদ্বাজের ‘ওমকারা’ সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় চরিত্র হল ‘ল্যাংড়া ত্যাগী’। এই চরিত্রে অভিনয় করে সইফ আলি খান তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজ জানিয়েছেন, প্রয়াত অভিনেতা ইরফান খান এই চরিত্রটি করতে খুব আগ্রহী ছিলেন। পরিচালকের কথায়, ইরফান ‘ল্যাংড়া ত্যাগী’র চরিত্রটি করার জন্য তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন। ইরফান মনে করেছিলেন, এই ধরণের একটি জটিল ও নেতিবাচক চরিত্রে তিনি দারুণ কাজ করতে পারবেন। কিন্তু সইফকেই ওই চরিত্রের জন্য চূড়ান্ত করে ফেলেছিলেন বিশাল। পরিচালক বলেন, "ইরফান এই চরিত্রটি করতে চেয়েছিল, কিন্তু আমি সইফকে কথা দিয়ে ফেলেছিলাম। তাছাড়া সইফকে একেবারে নতুনভাবে পর্দায় দেখানোর একটা পরিকল্পনাও আমার ছিল।" আর সইফ যখন অসাধারণ অভিনয় করে চরিত্রটি ফুটিয়ে তুললেন, ইরফান খানও তাঁর প্রশংসা করতে ভোলেননি।















