ফের বিস্ফোরক পিয়া সেনগুপ্ত। ২২ মে ইম্পার মিটিংয়ে ফের অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেখানে ধ্বনি ভোটের মাধ্যমে রতন সাহাকে অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচন করা হয়। কিন্তু গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত সেটা মানতে অস্বীকার করেন। কিন্তু ২৫ মে ইম্পার অফিসে রতন সাহাকে অস্থায়ী সভাপতি পদে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন পিয়া।
এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি বলেন, "আজ রতন সাহাকে দেখছি, কাল অন্য কাউকে দেখব, পরশু আবার অন্য কাউকে অস্থায়ী সভাপতি পদে দেখব। আমি তো জানি ২০২৭ অবধি আমি সভাপতি পদে স্থায়ী। তাই অস্থায়ী অন্য কাউকে নিয়ে মাথা ব্যথা নেই।"
আজ সপ্তাহের প্রথম দিন ইম্পার অফিসে কেন যাননি পিয়া? তাঁর জবাব, "আমরা তো আগে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলাম। কিন্তু যখন দেখলাম তাঁরা সেভাবে কোনও প্রোটেকশন আমাদের দিতে পারলেন না তখন বাড়ির লোক আমায় বারণ করল আজ অফিসে যেতে। কারণ, আগের দিন ওরকম শরীর খারাপ হয়ে গিয়েছিল। তাই বাড়ি থেকে বলেছিল এত চাপ নেওয়ার দরকার নেই আজ, তাই যাইনি।"
ইম্পায় নতুন কমিটি গঠন এবং স্বজনপোষণ নিয়েও একাধিক অভিযোগ উঠেছিল পিয়া সেনগুপ্তর বিরুদ্ধে। এই বিষয়ে এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, "আমি এসব কমিটি নিয়ে কিছু জানি না। আর যদি নেপোটিজম করতাম তাহলে বনি তো আমার প্রযোজনা থেকেই লঞ্চ হত। কিন্তু ও তো এসভিএফ থেকে লঞ্চ হয়েছিল। আমি যদি ক্ষমতা ফলাতাম তাহলে প্রতি মাসে বনির ছবি মুক্তি পেত। সেটা কেন হয় না? আর আমার বাবা সুখেন দাসকে নিয়েও অনেক কথা উঠছে। সেক্ষেত্রে বলব, আগে জেনে আসুক তারা সুখেন দাস কে ছিলেন। এরপর হয়তো আরও আক্রমণ হবে আমার উপর, তবুও এটা বলতে বাধ্য হলাম।"
এদিন সকালে ইম্পার অফিসে এক বিশাল মাপের মালা এনে রতন সাহাকে আহ্বান জানানো হয় অস্থায়ী সভাপতির পদে। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অনেকেই। রতন সাহার পাশে এদিন নজর কাড়েন পরিচালক, অভিনেতা গৌতম ঘোষও।এদিন ইম্পার অফিসে ধ্বনি ওঠে, "এই জয় গোটা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির জয়। এই অভিষেক টলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির স্বার্থে।"















