সালটা ২০০৫। মুক্তি পায় মহেশ ভাট পরিচালিত ছবি 'নজর'। এই ছবির হাত ধরেই বলিউডে অভিষেক ঘটে পাকিস্তানি অভিনেত্রী মীরার। সেই সময়ই কি তাঁকে যৌন নিগ্রহ করতেন বর্ষীয়ান পরিচালক? এই বিষয়ে দুই দশক পর মুখ খুললেন অভিনেত্রী। 

'নজর' ছবিটি যখন মুক্তি পায় সেই সময় রটে গিয়েছিল মহেশ ভাট মীরাকে যৌন নিগ্রহ করেন। এমনকী তাঁকে নিয়ে নাকি তিনি পসেসিভও ছিলেন। এই বিষয় নিয়ে সেই সময় বিস্তর চর্চা চলেছে। খবর হয়েছে। ২০১১ সালে পুনরায় এই প্রসঙ্গ উসকে গিয়েছিল। এবার মীরা জানালেন সেই সমস্ত কথা পুরোটাই ভুয়ো। এর কোনও সত্যতা নেই। মহেশ ভাট তাঁকে মোটেই যৌন নিগ্রহ করতেন না। বরং তাঁদের মধ্যে সন্তান, বাবার সম্পর্ক। মীরার কথায় মহেশ ভাট তাঁর কাছে পিতৃতুল্য। তাঁদের এখনও সুসম্পর্ক রয়েছে। রয়েছে যোগাযোগও। 

এদিন একই সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে মীরা জানিয়েছেন তাঁর সঙ্গে আলিয়া ভাটের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। যখন তিনি মহেশ ভাটের বাড়ি যেতেন সেই সময় ছোট্ট আলিয়া তাঁর সঙ্গেই ঘুমাতেন বলে জানালেন পাক অভিনেত্রী। 

এদিন তিনি মহেশ ভাট এবং তাঁর ব্যাপারে সমস্ত জল্পনাকে কেবল খণ্ডন করেননি, জানিয়েছে মহেশ ভাট একজন অতি দক্ষ পরিচালক। ভাল মানুষ। তাঁদের দু'জনকে নিয়ে রটা সমস্ত কথাই ভিত্তিহীন, এবং ভুয়ো বলে দাবি নায়িকার। 

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালে মুক্তি পাওয়া 'নজর' ছবিটিতে মীরার সঙ্গে ছিলেন আলি খান, অস্মিত প্যাটেল, নীনা গুপ্তা, কোয়েল পুরী, প্রমুখ।

এই বিষয়ে এটাও জানিয়ে রাখা ভাল, কেবল মীরা নয়, মহেশ ভাট বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিতর্কে জড়িয়েছেন। নিজের মেয়ে পূজা ভাটের প্রসঙ্গে মহেশ ভাট একবার বলেছিলেন তিনি তাঁর নিজের সন্তান না হলে তাঁকে বিয়ে করতেন। কিরণ ভাটের সঙ্গে বিয়ের পর তিনি পারভীন বাবির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। এরপর প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দেওয়ার আগেই পুনরায় নতুন করে সম্পর্কে জড়ান সোনি রাজদানের সঙ্গে। এরপর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তাঁকে বিয়ে করেন। জিয়া খানের সঙ্গেও মহেশ ভাটের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। এমনকী কঙ্গনা রানাওয়াত তাঁর বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ তুলেছিলেন।