না ফেরার দেশে পরিচালক গৌতম হালদার। শুক্রবার সকালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তাঁর। বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ রুপোলি পর্দা, মঞ্চ জগৎ। তাঁকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে মুম্বই থেকে উড়ে এসেছেন বিদ্যা বালন। শোক জানিয়েছেন লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, দেবশঙ্কর হালদার, চৈতি ঘোষাল, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। বিদ্যার প্রথম ছবি এবং প্রথম বাংলা-যোগ তিনিই। ২০০৩-এ গৌতমবাবু ‘ভাল থেকো’ ছবি পরিচালনা করেন। ছবিতে প্রয়াত অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, বিদ্যা বালন, দেবশঙ্কর হালদার, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ছিলেন। ৫১তম জাতীয় পুরস্কারের মঞ্চে সেরা চিত্রগ্রহণ, শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রহণ এবং বিশেষ জুরি পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছিল। পরিচালকের জীবনের মূলমন্ত্রই ছিল, ‘ভাল থেকো’। ঘনিষ্ঠদের সবসময় এই শুভেচ্ছা তিনি জানিয়ে গিয়েছেন।
এক জীবনে অনেক স্তর তাঁর। একসঙ্গে বহু গুণের অধিকারী। পরিচালনায় আসার আগে নাট্যদুনিয়ার সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন। তাঁর পরিচালনায় একাধিক বার ‘রক্তকরবী’ মঞ্চস্থ হয়েছে। পাশাপাশি, তিনি খুব ভাল স্যুভেনির বানাতেন। সেই সময় কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের যাবতীয় বই এবং স্যুভেনির তাঁর দায়িত্বে প্রকাশিত হত। গৌতমবাবুর দক্ষতায় সেই কাজ আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছে যেত। এছাড়াও, তিনি ছিলেন সাহিত্যরসিক। বহু অধ্যাপক তাঁর কাছে সাহিত্য আলোচনা করতেন। তিনি অসাধারণ গাইয়ে ছিলেন। প্রয়াত পরিচালকের উদাত্ত কণ্ঠে রবীন্দ্রসঙ্গীত যে কোনও অনুষ্ঠানের আকর্ষণ ছিল। একই সঙ্গে তিনি দুর্দান্ত রান্না করতেন। মাছ, মাংস থেকে নিরামিষ পদ— সব গুছিয়ে রাঁধতে পারতেন। এবং কাছের জনেদের আমন্ত্রণ করে নিজে রেঁধে খাওয়াতেন। মু্ম্বইয়ে ছবির পোস্ট প্রোডাকশনের কাজে গিয়েও নিজে বাজার করতেন। সবাইকে নিয়ে হইহই করে রান্নায় মেতে উঠতেন।
গৌতম হালদারের একমাত্র স্বপ্ন, তিনি ভাল ছবি বানাবেন। সেই জায়গা থেকেই তিনি কমসংখ্যক ছবি বানাতেন। ‘ভাল থেকো’র পরে ২০১৯-এ তাঁর ‘নির্বাণ’ মুক্তি পায়। এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রাখি গুলজার। উস্তাদ আমজাদ আলি খানের ঘনিষ্ঠ ছিলেন গৌতম। ১৯৯৯-তে সরোদশিল্পীকে নিয়ে ‘স্ট্রিংস ফর ফ্রিডম’ তথ্যচিত্র বানান। পাণ্ডিত্যের পাশাপাশি তিনি ছিলেন ভীষণ ভালমানুষ। বিনোদন দুনিয়া তাই গৌতম হালদারের প্রয়াণে নতুন করে অভিভাবকহীন।
এক জীবনে অনেক স্তর তাঁর। একসঙ্গে বহু গুণের অধিকারী। পরিচালনায় আসার আগে নাট্যদুনিয়ার সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন। তাঁর পরিচালনায় একাধিক বার ‘রক্তকরবী’ মঞ্চস্থ হয়েছে। পাশাপাশি, তিনি খুব ভাল স্যুভেনির বানাতেন। সেই সময় কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের যাবতীয় বই এবং স্যুভেনির তাঁর দায়িত্বে প্রকাশিত হত। গৌতমবাবুর দক্ষতায় সেই কাজ আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছে যেত। এছাড়াও, তিনি ছিলেন সাহিত্যরসিক। বহু অধ্যাপক তাঁর কাছে সাহিত্য আলোচনা করতেন। তিনি অসাধারণ গাইয়ে ছিলেন। প্রয়াত পরিচালকের উদাত্ত কণ্ঠে রবীন্দ্রসঙ্গীত যে কোনও অনুষ্ঠানের আকর্ষণ ছিল। একই সঙ্গে তিনি দুর্দান্ত রান্না করতেন। মাছ, মাংস থেকে নিরামিষ পদ— সব গুছিয়ে রাঁধতে পারতেন। এবং কাছের জনেদের আমন্ত্রণ করে নিজে রেঁধে খাওয়াতেন। মু্ম্বইয়ে ছবির পোস্ট প্রোডাকশনের কাজে গিয়েও নিজে বাজার করতেন। সবাইকে নিয়ে হইহই করে রান্নায় মেতে উঠতেন।
গৌতম হালদারের একমাত্র স্বপ্ন, তিনি ভাল ছবি বানাবেন। সেই জায়গা থেকেই তিনি কমসংখ্যক ছবি বানাতেন। ‘ভাল থেকো’র পরে ২০১৯-এ তাঁর ‘নির্বাণ’ মুক্তি পায়। এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রাখি গুলজার। উস্তাদ আমজাদ আলি খানের ঘনিষ্ঠ ছিলেন গৌতম। ১৯৯৯-তে সরোদশিল্পীকে নিয়ে ‘স্ট্রিংস ফর ফ্রিডম’ তথ্যচিত্র বানান। পাণ্ডিত্যের পাশাপাশি তিনি ছিলেন ভীষণ ভালমানুষ। বিনোদন দুনিয়া তাই গৌতম হালদারের প্রয়াণে নতুন করে অভিভাবকহীন।
















