শুক্রবার সকালে তোলপাড় বিনোদন দুনিয়া। শোনা যায়, ফেব্রুয়ারি মাসে নাকি চার হাত এক করতে চলেছেন ম্রুণাল ঠাকুর ও দক্ষিণী তারকা ধনুষ। খবরটি মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়, অনুরাগীদের মধ্যে শুরু হয় জোর চর্চা। কিন্তু এসবই গুঞ্জন। আদৌ তেমন কিছুই হচ্ছে না।

ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গিয়েছে, ম্রুণাল ও ধনুষের বিয়ের খবর সম্পূর্ণ গুজব। সূত্রের কথায়, ম্রুণাল আগামী মাসে বিয়ে করছেন না।

সূত্র আরও জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারি মাসেই ম্রুণালের একটি গুরুত্বপূর্ণ ছবি মুক্তি পাওয়ার কথা, যেখানে তিনি অভিনয় করেছেন সিদ্ধান্ত চতুর্বেদীর সঙ্গে। ছবির মুক্তির এত কাছাকাছি সময়ে বিয়ে করার কোনও পরিকল্পনাই নেই তাঁর। শুধু তাই নয়, মার্চ মাসে তাঁর আরও একটি তেলুগু ছবির মুক্তিও নির্ধারিত রয়েছে।

সূত্রের দাবি, টানা ছবির মুক্তির সময়সূচির মধ্যে বিয়ের মতো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া বাস্তবসম্মত নয়।

ম্রুণাল ও ধনুষের সম্পর্ক নিয়ে যদিও বেশ কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, তবে এখনও পর্যন্ত কেউই প্রকাশ্যে সেই সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি।
এই জল্পনার সূত্রপাত হয় গত বছরের অগস্ট মাসে। ম্রুণালের একটি ছবির প্রিমিয়ারে ধনুষ উপস্থিত হলে তাঁকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাতে দেখা যায় অভিনেত্রীকে। সেই মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই নেটদুনিয়ায় শুরু হয় নতুন করে আলোচনা। অনেকেই মনে করেন, ম্রুণালের পাশে থাকতেই বিশেষভাবে ওই অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন ধনুষ।
তবে আপাতত নিশ্চিতভাবে বলা যায়, বিয়ের খবর এখনই সত্যি নয়। দু’জনেই আপাতত নিজেদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। তাই অনুরাগীদের অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুদিন।

ধনুষের ব্যক্তিগত জীবন আগেও বিনোদন দুনিয়ার শিরোনামে এসেছে। রজনীকান্তের কন্যা ঐশ্বর্য রজনীকান্তের সঙ্গে দীর্ঘদিনের দাম্পত্য জীবনের পর অভিনেতা ধনুষ পুরোপুরি নিজেকে কাজে নিয়োজিত করেছেন এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব একটা প্রকাশ্যে কথা বলেননি। অন্য দিকে, ম্রুণালও সবসময় ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে চুপচাপ থাকতে পছন্দ করেন। একের পর এক সফল ছবির মাধ্যমে তিনি বলিউডে নিজের দৃঢ় অবস্থান তৈরি করেছেন। তাই হঠাৎ করেই তাঁর বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ায় অনুরাগীদের মধ্যে কৌতূহল তুঙ্গে পৌঁছেছে।

কিন্তু এই জল্পনার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও উঠে এসেছে। ম্রুণাল আগেই এক সাক্ষাৎকারে ধনুষের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন, ধনুষ তাঁর শুধু খুব ভাল বন্ধু। প্রেম বা বিয়ের গুজব তিনি ভিত্তিহীন বলেই উড়িয়ে দিয়েছিলেন।