টিনসেল টাউনে খবর অফুরান। বিনোদনের সমস্ত খবর জানতে যদি চান, চোখ রাখুন নজরে বিনোদনে। জেনে নিন সারাদিনের গরমা গরম খবর কী?
সূরজকে ইনস্টাগ্রামে ফলো করলেন মৌনি!
মৌনী রায় এবং তাঁর স্বামী সূরজ নাম্বিয়ারের বিবাহবিচ্ছেদের খবরের মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এক নতুন গুঞ্জন শুরু হয়েছে। ডিভোর্সের ঘোষণার পর হঠাৎ করেই ইনস্টাগ্রামে সূরজকে আবার ফলো করতে শুরু করেছেন মৌনী। এই ঘটনার পর স্বাভাবিকভাবেই ভক্তদের মনে প্রশ্ন জেগেছে, তবে কি তাঁদের সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে? মৌনী রায়ের এই কঠিন সময়ে তাঁর সবচেয়ে কাছের বন্ধু, অভিনেত্রী দিশা পাটানিকে সবসময় তাঁর পাশে দেখা গিয়েছে। বাঙালি অভিনেত্রী যখন সূরজকে আবার ফলো করা শুরু করেছেন, তখন ভক্তদের নজর যায় দিশা পাটানির দিকে। যদিও দিশা কিন্তু এখনও সূরজকে ইনস্টাগ্রামে ফলো করছেন না। মৌনী ও সূরজের বিচ্ছেদের সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল, দিশা পাটানির সঙ্গে মৌনীর অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা এবং একসঙ্গে বেশি সময় কাটানোটা হয়তো সূরজ সহজভাবে নিতে পারেননি।
প্যারেন্টিং নিয়ে খোলামেলা কিয়ারা
অভিনেত্রী কিয়ারা আদবানি সম্প্রতি মা হওয়ার পর প্যারেন্টিং বা সন্তান লালন-পালন নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছেন। একটি পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, তিনি চান না তাঁর মেয়ে সারাইয়া সমাজের তৈরি করা ভালবাসা বা সম্পর্কের চিরাচরিত নিয়মের বেড়াজালে আটকে বড় হোক। কিয়ারা জানান, ছোটবেলায় অবচেতনভাবেই তাঁর মনে হতো যে একটি সম্পর্কের শেষ পরিণতি সবসময় বিয়েই হতে হবে। তবে বয়স এবং অভিজ্ঞতার সঙ্গে তাঁর এই ধারণায় পরিবর্তন এসেছে। তিনি বিশ্বাস করেন, বড় হওয়ার পথে প্রতিটি সম্পর্কই মানুষকে নতুন কিছু শেখায় এবং পরিপক্ব করে তোলে। কিয়ারা চান না তাঁর মেয়ে বড় হয়ে ভাবুক যে তাকে কেবল একজন মানুষের সঙ্গেই ডেট করতে হবে। নায়িকার কথায়, "আমি চাই না ও এমন মানসিকতা নিয়ে বড় হোক যে তাকে কেবল একজনকেই ডেট করতে হবে। যদি ও বিয়ে করতে চায়, করবে; আর যদি না করতে চায়, তবে করবে না।" সিদ্ধার্থ মলহোত্রার ঘরণীর চান তাঁর মেয়ে সমাজের কোনও চাপ ছাড়া নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিক।
খুশি কাপুরকে বাদ দিয়ে রাম চরণের ছবিতে জাহ্নবী
দক্ষিণী মেগাস্টার রাম চরণের নতুন ছবি 'পেড্ডি'-র হাত ধরে এক অনবদ্য পর্দার পেছনের গল্প সামনে এসেছে। সিনেমাটির পরিচালক বুচি বাবু সানা একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ছবির প্রধান নারী চরিত্র 'অচিয়ম্মা'-র জন্য প্রথমে জাহ্নবী কাপুরকে নয়, বরং তাঁর ছোট বোন খুশি কাপুরকে ভাবা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত খুশিকে বাদ দিয়ে সেই চরিত্রটি দেওয়া হয় জাহ্নবীকে। বুচি বাবু সানার কথায়, ছবির গল্প ও 'অচিয়ম্মা' চরিত্রটির বিবরণ তিনি প্রথমে খুশি কাপুরকেই শুনিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার পর পরিচালকের মনে হয়, এই চরিত্রটির জন্য খুশি বড্ড বেশি ছোট বা কমবয়সী। খুশিকে বাদ দেওয়ার পর তাঁর নিজের বাড়িতেই জাহ্নবী কাপুরকে ছবির গল্প শোনাতে হয়েছিল পরিচালককে। এই প্রসঙ্গে পরিচালক বলেন, "একই বাড়িতে গিয়ে ছোট বোনকে রিজেক্ট করে বড় বোনকে সিনেমার অফার দেওয়াটা আমার নিজের কাছেই খুব খারাপ লাগছিল। আমি জাহ্নবীকে জিজ্ঞেসও করেছিলাম, খুশি এতে কোনো মনে কষ্ট পাবে বা রাগ করবে কি না।" পরিচালক খুশিকে সরাসরিই বলেছিলেন, "আমি তোমাকে এই ছবিতে নিতে পারছি না, আমি তোমার বোনকে চাই।" বুচি বাবু সানা মনে করেন, সিনেমার স্বার্থে এমন কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতেই হয়। ছবির শুরু থেকেই তাঁর অবচেতন মনে জাহ্নবী কাপুরের চেহারাই ভেসে উঠছিল।















