দিল্লি হোক কলকাতা, সিকিম হোক বা চেন্নাই, মুম্বই হোক বা মেঘালয়, ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন ধরনের স্ট্রিট ফুড দারুণ জনপ্রিয়। কিন্তু জানেন কি এই ৮টি পদ, যা এখন রাজপথের ধারে বিক্রি হয়, আদতে এগুলো এক সময় রাজকীয় খানা ছিল। রাজা এবং নবাবদের হেঁসেলে এদের জায়গা ছিল। কী কী সেই খাবার? জেনে নিন। ছবি- সংগৃহীত
2
9
প্রথমেই উল্লেখ করতে হবে বিরিয়ানির কথা। বর্তমানে আলিশান রেস্তোরাঁ থেকে রাস্তার ধারের দোকান, সর্বত্র এই পদ পাওয়া যায়। আদতে নবাবদের জন্য বানানো হতো এই পদ। ছবি- সংগৃহীত
3
9
কাবাব: মুঘল সম্রাটদের পাতে পড়ত এই পদ। মনে করা হয় যাঁরা ঠিক করে মাংস চিবোতে পারতেন না বয়সজনিত কারণে, সেই সব ব্যক্তিদের জন্য বানানো হতো এই পদ। ছবি- সংগৃহীত
4
9
কচুরি: রবিবারের সকালে অনেকের বাড়িতেই কচুরি, তরকারির চল রয়েছে। কিন্তু অতীতে রাজস্থান, উত্ত প্রদেশের মতো বিভিন্ন জায়গায় রাজ পরিবারে এই পদ হতো, তাও বিভিন্ন রকমের পুর দিয়ে। ছবি- সংগৃহীত
5
9
নিহারি: মুঘল সাম্রাজ্যের অন্যতম আইকনিক পদ ছিল ঢিমে আঁচে তৈরি হওয়া নিহারি। আজকালকার সময়ের মতো তখন এই পদ রাস্তার ধারে বিক্রি হতো না। ছবি- সংগৃহীত
6
9
জিলিপি: আজকাল মিষ্টি দোকান থেকে অনুষ্ঠান বাড়ি, সর্বত্রই এই মিষ্টি পাওয়া যায়। কিন্তু একটা সময় এই জিলিপি কেবল রাজ পরিবারে তৈরি হতো। ছবি- সংগৃহীত
7
9
সিঙাড়া: বিকেল হলেই যে মনটা চপ, সিঙাড়া করে, সেই সিঙাড়াও কিন্তু রাজকীয় খানা! মধ্য এশিয়া, পারস্য থেকে এসেছে এই পদ। এখন মূলত আলুর পুর থাকলেও, অতীতে সিঙাড়া মাংসের পুর দিয়ে বানানো হতো। ছবি- সংগৃহীত
8
9
রাবড়ি: এটিও একটি রাজকীয় মিষ্টি, যা মূলত রাজ পরিবার এবং সেখানকার অতিথিদের জন্য বানানো হতো। ছবি- সংগৃহীত
9
9
চাট: গঙ্গার ধারে বেড়াতে গিয়ে, বেনারস বা অন্যত্র গিয়ে চাটে মন মজে। কিন্তু জানেন কি বর্তমান সময়ের এই চাট আদতে মুঘল সম্রাটদের পাকশালার দান? ছবি- সংগৃহীত