২৩ জানুয়ারি, সরস্বতী পুজোর দিন বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। ছোটবেলার বন্ধু দেবমাল্য চক্রবর্তীর সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েছেন তিনি। তাঁদের বিয়ের সাজগোজে ভরপুর বাঙালিয়ানার ছোঁয়া ছিল। বিয়ের পরে একটুও ছুটি নেননি মধুমিতা। ফিরেছেন শুটিং ফ্লোরে। এই মুহূর্তে স্টার জলসার ধারাবাহিক 'ভোলেবাবা পার কারেগা'য় দেখা যাচ্ছে মধুমিতাকে। বিয়ের পরেই ফ্লোরে ফিরলেন, মধুচন্দ্রিমায় তাহলে কবে যাবেন তাঁরা?

 

আজকাল ডট ইন-এর প্রশ্নে একটু লাজুক স্বরে মধুমিতা জানালেন এখনও ঠিক হয়নি। অভিনেত্রীর কথায়, "ফ্লোরে ফিরব তেমনটাই কথা ছিল। আসলে ধারাবাহিকের ব্যাঙ্কিং নিয়ে একটা সমস্যা তো থাকেই। তাই বেশিদিন ছুটি নিইনি। হানিমুনে যাওয়ার পরিকল্পনা এই মুহূর্তে নেই। দু'জনেই ঘুরতে ভালবাসি, তাই একটু সময় পেলেই বেড়াতে যাব।" 


বিয়ের পর কেমন দিন কাটছে মধুমিতার? চেনার মাঝেও কি একটু অচেনা লাগছে সব কিছু? মধুমিতার কথায়, "আসলে সবাইকে তো চিনতাম আগে থেকেই। নতুন সেভাবে কিছু নয়। আমি ওই বাড়ির মেয়ের মতোই। তাছাড়া এখনও খুব বেশি পরিবর্তন আসেনি জীবনে, দায়িত্বও আসেনি। এই নিয়ে কী আর বলব! লজ্জা লাগছে। বিয়েটা খুব একান্তে করতে চেয়েছিলাম, সেটাও হয়নি। তাই এসব নিয়ে আর কথা নাই বা বাড়ালাম।"

প্রসঙ্গত, মধুমিতা সরকার এবং দেবমাল্য চক্রবর্তীর বিয়ের মেনুতে মোগলাই খাবারের আয়োজন। সঙ্গে ছিল আধুনিক নানা পদ। জানা গিয়েছে বিরিয়ানি থেকে ফিশ ফ্রাই, রেশমি কাবাব ছিল মেনুতে। বাদ যায়নি হরিয়ালি কাবাব, পনিরের নানা পদ। এছাড়াও বাটার নান, স্যালাড, রায়তা, বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি সহ বেনারসি পান ছিল অভিনেত্রীর বিয়ের মেনুতে। 

 

লাল টুকটুকে বেনারসি, গা ভর্তি সোনার গয়নায় সেজেছিলেন মধুমিতা সরকার। মায়ের হাত ধরে ফুলের চাদরে নিচে হেঁটে বিয়ের মণ্ডপে আসেন।   অন্যদিকে বিয়ের রাতে দেবমাল্য পরেছিলেন লাল বন্ধগলা পাঞ্জাবি এবং ধুতি। দেবমাল্য এবং মধুমিতা ছোটবেলার বন্ধু। মাঝে তাঁদের দীর্ঘ সময় যোগাযোগ ছিল না। পরে সেই যোগাযোগ পুনঃস্থাপন হতেই নতুন জীবন শুরু করলেন। বছর দুয়েক আগে নতুন সম্পর্কের কথা ঘোষণা করেন মধুমিতা। পুজোর শেষে আলাপ করান প্রেমিক এবং বর্তমান বরের সঙ্গে। তারপর থেকে নানা সময় তাঁদের কাটানো নানা মুহূর্ত অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন।