রিচা এবার ‘গোয়েন্দা’
সঞ্জয় লীলা বনশালির ‘হীরামন্ডি’ সিরিজে লাজ্জো চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন রিচা চাড্ডা। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই অভিনেত্রী ঘোষণা করলেন তাঁর পরবর্তী চমকের। তবে এবারের চরিত্রটি একেবারে ভিন্ন। পিরিয়ড ড্রামা থেকে বেরিয়ে এসে এবার তিনি পা রাখছেন টানটান উত্তেজনার এক ক্রাইম থ্রিলার সিরিজে।সঞ্জয় লীলা বনশালির মহাকাব্যিক সিরিজ ‘হীরামন্ডি’তে লাজ্জো চরিত্রে রিচা চাড্ডার অভিনয় ছিল অনবদ্য। সেই গ্ল্যামারাস পিরিয়ড ড্রামার খোলস ছেড়ে এবার এক দুর্ধর্ষ গোয়েন্দার ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চলেছেন রিচা। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহলের খবর, একটি নামী ওটিটি প্ল্যাটফর্মের আগামী ক্রাইম থ্রিলার সিরিজের মুখ্য চরিত্রে দেখা যাবে তাঁকে।
জানা গেছে, ইতিমধ্যে সিরিজের শুটিং শুরু করে দিয়েছেন অভিনেত্রী। গল্পটি একটি জটিল অপরাধ ও তদন্তের পটভূমিতে তৈরি, যেখানে রিচার চরিত্রটি রহস্যের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে। সিরিজটি নিয়ে নির্মাতারা আপাতত মুখে কুলুপ এঁটেছেন। খুব বেশি তথ্য প্রকাশ্যে না আনলেও, ইন্ডাস্ট্রি সূত্রের খবর, এটি সাধারণ ক্রাইম থ্রিলার থেকে অনেকটাই আলাদা হবে।তবে ‘হীরামন্ডি’-র পর এমন একটি অপরাধমূলক থ্রিলার সিরিজ বেছে নেওয়া নিঃসন্দেহে তাঁর বহুমুখী প্রতিভার প্রমাণ।
আসছে ‘তাল ২’
১৯৯৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘তাল’ কেবল একটি সিনেমা ছিল না, এটি ছিল বলিউডের মিউজিক্যাল ড্রামার এক নতুন সংজ্ঞা। ঐশ্বর্য রাই বচ্চন, অক্ষয় খান্না এবং অনিল কাপুরের সেই ম্যাজিক আজও দর্শকদের স্মৃতিতে অমলিন। দীর্ঘ আলোচনার পর অবশেষে সেই ক্লাসিক ছবির সিক্যুয়েল ‘তাল ২’ নিয়ে মুখ খুললেন প্রবীণ পরিচালক সুভাষ ঘাই। তিনি জানিয়েছেন, ছবির চিত্রনাট্যের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।
‘তাল ২’-এর কাস্টিং নিয়ে সবচেয়ে বড় কৌতূহল ছিল ভক্তদের মনে। সুভাষ ঘাই অবশ্য নস্টালজিয়ার চেয়ে গল্পকে বেশি প্রাধান্য দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, পুরোনো তারকাদের ফিরিয়ে আনা হবে কি না, তা সম্পূর্ণভাবে চিত্রনাট্যের চাহিদার ওপর নির্ভর করছে।
পরিচালকের কথায়, “এমনকি যদি আগের তারকারা সফলও হয়ে থাকেন, তবুও গল্পের প্রয়োজনে যদি নতুন মুখ দরকার হয়, তবে আপনি তাঁদেরই কাস্টিং করবেন। গল্পই ঠিক করে দেবে কারা পর্দায় ফিরবেন।” এই মন্তব্যের মাধ্যমে পরিচালক বুঝিয়ে দিয়েছেন, ‘তাল ২’-এ হয়তো নতুন প্রজন্মের চমক দেখার অপেক্ষায় থাকতে পারেন দর্শকরা। সুভাষ ঘাই জানিয়েছেন, চিত্রনাট্য এখন প্রায় চূড়ান্ত। ছবির প্রি-প্রোডাকশন এবং অন্যান্য প্রযোজনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
সাই ‘নার্ভাস’ পল্লবী
এক দিন ছবির প্রচারে উপস্থিত ছিলেন ছবির প্রযোজক আমির খান, অভিনেতা জুনায়েদ খান এবং অন্যান্য কলাকুশলীরা। মঞ্চে দাঁড়িয়ে নিজের অনুভূতির কথা বলতে গিয়ে সাই পল্লবী যেন কিছুটা বিহ্বল হয়ে পড়েন। অভিনেত্রী বলেন, “আমি জানি না আমি কী কাজ করেছি, কিন্তু আমি খুব খুশি যে আজ আমি এমন এক ঘরে দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে চারপাশটা অত্যন্ত প্রতিভাবান মানুষে ভরা। আমি খুবই বিনম্র বোধ করছি।”
নিজের উত্তেজনা ও স্নায়ুর চাপের কথা স্বীকার করে তিনি আরও যোগ করেন, “আমির স্যার তো খুব আবেগপ্রবণ মানুষ, কিন্তু আমিও খুব আবেগপ্রবণ। আমার খুব ইচ্ছে হয়, যদি আলোটা একটু কমে যেত, তবে হয়তো আমি আরও মন খুলে কাঁদতে পারতাম!”
আমির খানের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠানটি ছিল অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ। জুনায়েদ খানের বিপরীতে সাঈ পল্লবীর এই নতুন ইনিংস নিয়ে ভক্তদের উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। দক্ষিণ ভারতের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর অভিনয়ের গভীরতা ও ন্যাচারাল লুক বারবার দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। এবার হিন্দি দর্শকদেরও একই জাদুতে বাঁধার অপেক্ষায় অভিনেত্রী। দক্ষিণের সাফল্যের মুকুট মাথায় নিয়ে বলিউডে সাঈ পল্লবীর এই যাত্রা কতটা সফল হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
















