ফের জুটিতে আনন্দ-ধনুষ? 

ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহলে জোর জল্পনা, পরিচালক আনন্দ এল রাই এবং অভিনেতা ধনুষ ফের একসঙ্গে কাজ করতে পারেন। ‘তেরে ইশক মে’ মুক্তির পর থেকেই এই নতুন ছবি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।
সূত্রের দাবি, আনন্দ এল রাই ও ধনুষের মধ্যে একটি বড়সড় পিরিয়ড অ্যাকশন রোম্যান্স নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা চলছে। 

এর আগেও একাধিক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন আনন্দ এল রাই ও ধনুষ। তবে এই নতুন ছবিটি যদি বাস্তবায়িত হয়, তবে ধনুষের জন্য এটি হবে একেবারে ভিন্ন পরিসরে কাজ করার সুযোগ। পিরিয়ড প্রেক্ষাপটে অ্যাকশন ও রোম্যান্স মেশানো এই ছবি তাঁর কেরিয়ারে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে, যদিও অভিনয়নির্ভর চরিত্রের প্রতি তাঁর ঝোঁক বজায় থাকছে বলেই মনে করছে ইন্ডাস্ট্রি।


প্রিয়দর্শনের দুঃখ 

প্রিয়দর্শনের ছবি ‘হলচল’ আজও হিন্দি কমেডি ছবির তালিকায় এক জনপ্রিয় নাম। মুক্তির প্রায় দু’দশক পর সেই ছবিই আবার নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে। কারণ, অভিনেতা আরশদ ওয়ার্সির সাম্প্রতিক মন্তব্য। এক সাক্ষাৎকারে  আরশদ দাবি করেন, ‘হলচল’-এ কাজ করার অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে “ভাল ছিল না”। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে যে চরিত্রের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, শেষ পর্যন্ত ছবিতে তা অনেকটাই ছোট হয়ে যায়।

আরশদের এই মন্তব্যে এবার প্রতিক্রিয়া দিলেন পরিচালক প্রিয়দর্শন। এক  সাক্ষাৎকারে পরিচালক স্পষ্টভাবেই নিজের হতাশা ও বিস্ময়ের কথা জানিয়েছেন। প্রিয়দর্শনের কথায়, “ওর মন্তব্য পড়ে আমি খুবই বিরক্ত হয়েছি। ভুল বোঝাবুঝি হয়ে থাকতেই পারে, কিন্তু যদি সত্যিই ও এই অভিযোগ করে থাকে, তাহলে আমি সত্যিই অবাক।” পরিচালক জানান, ছবির মুক্তির পর  আরশদের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত কথোপকথনের স্মৃতি আজও তাঁর মনে স্পষ্ট। প্রিয়দর্শনের দাবি, ‘হলচল’ মুক্তির পর আরশদ নিজেই ফোন করে তাঁর অভিনয়ের প্রশংসার কথা জানিয়েছিলেন। “ও আমাকে বলেছিল, ‘প্রিয়ান স্যার, আমি ভাবতেই পারিনি এতটা প্রশংসা পাব।’ তখন ছবিটা বক্স অফিসে ভালই চলছিল। এটা আমার একটা হিট ছবি,” বলেন পরিচালক। পরিচালকের স্পষ্ট অভিযোগ, “যখন ছবিটা সফল ছিল, তখন এ ধরনের কথা বলার কোনও কারণই ছিল না। এই অভিযোগে আমি সত্যিই আহত।”

 

 

 

 

 

 

টিকিট নিয়ে ‘ধুরন্ধর’ ব্যাপার 

বলিউডের সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ও সফল ছবিগুলির মধ্যে অন্যতম ‘ধুরন্ধর’। শুধু বক্স অফিসে নয়, টিকিটের দামের নিরিখেও ছবিটি ছিল অন্যতম ব্যয়বহুল সিনেমা। ছবির দীর্ঘ ২১৪ মিনিটের রানটাইম-এর কারণে অধিকাংশ প্রেক্ষাগৃহে শো সংখ্যা কমানো হয়, আর সেই কারণেই টিকিটের দামও তুলনামূলকভাবে বেড়েছিল। তা সত্ত্বেও সপ্তাহের পর সপ্তাহ হাউসফুল বোর্ড নামেনি বহু হলে।তবে এক মাস পেরিয়ে ছবির গতি যখন স্বাভাবিকভাবে কিছুটা ধীর হচ্ছে, তখন দর্শকদের ফের প্রেক্ষাগৃহমুখী করতে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্মাতারা। সীমিত সময়ের জন্য টিকিটের দাম কমানোর ঘোষণা করা হল ‘ধুরন্ধর’-এর ক্ষেত্রে।

মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘোষণা করে ছবির প্রযোজনা সংস্থা জিও স্টুডিয়োজ়। এক্স -এ পোস্ট করে তারা জানায়, একদিনের জন্য সারা দিন ১৯৯ টাকায় পাওয়া যাবে ‘ধুরন্ধর’-এর টিকিট। যদিও স্পষ্ট করে জানানো হয়, এই বিশেষ অফার সব প্রেক্ষাগৃহে নয়। শুধুমাত্র নির্বাচিত সিনেমা হল ও নির্দিষ্ট শোর ক্ষেত্রেই এই ছাড় প্রযোজ্য।

বর্তমানে সারা দেশে ‘ধুরন্ধর’-এর গড় টিকিটের দাম প্রায় ২৫০-২৬০ টাকা। সেই হিসেবে সাধারণ প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের মাথাপিছু প্রায় ৫০ টাকা ছাড় মিলছে। প্রিমিয়াম স্ক্রিন বা মাল্টিপ্লেক্সে এই ছাড়ের অঙ্ক তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও, অনেক টিয়ার-টু ও টিয়ার-থ্রি শহরে এই ছাড় কার্যত খুব বেশি প্রভাব ফেলছে না বলেই মনে করছেন হল মালিকদের একাংশ।

তবু বক্স অফিস বিশ্লেষকদের মতে, ছবির লাইফ সাইকেলের এই পর্যায়ে টিকিটের দাম কমানো একটি কৌশলী পদক্ষেপ। দীর্ঘ রানটাইম, চড়া  টিকিটের দাম এবং ইতিমধ্যেই বড় অঙ্কের ব্যবসা, সব মিলিয়ে ‘ধুরন্ধর’ ফের একবার আলোচনার কেন্দ্রে চলে এল এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে।