ইমরান-উবাচ 

ভারত পে -র সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং 'শার্ক ট্যাঙ্ক ইন্ডিয়া'র তারকা অশনীর গ্রোভারের জীবনের ওপর বায়োপিক তৈরি হচ্ছে—এমন খবরে কয়েকদিন ধরেই সরগরম বলিউড। জল্পনা ছিল, এই ছবিতে অশনীরের চরিত্রে দেখা যেতে পারে ইমরান খানকে এবং তাঁর স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করতে পারেন শ্রদ্ধা কাপুর। এমনকি এই প্রজেক্টের পেছনে আমির খানের প্রযোজনা থাকার কথাও শোনা যাচ্ছিল। তবে সব জল্পনায় জল ঢেলে দিলেন ইমরান খান নিজেই।এই গুঞ্জন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে ইমরান খান সরাসরি তা অস্বীকার করেছেন।এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা স্পষ্ট জানিয়েছেন, “আমি এই প্রজেক্ট সম্পর্কে কিছুই শুনিনি। এই খবরটি একেবারেই সত্যি নয়।” ইমরানের এই মন্তব্যের ফলে তাঁর এই বায়োপিকে যুক্ত থাকার বিষয়টি পুরোপুরি গুজব বলেই প্রমাণিত হলো।

 

 

নেহার জেদ 

২০১৮ সালের ১০ মে অঙ্গদ বেদির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন নেহা ধুপিয়া। তাঁদের দাম্পত্যে রয়েছে দুই সন্তান—মেয়ে মেহের (জন্ম নভেম্বর ২০১৮) এবং ছেলে গুরিক (জন্ম অক্টোবর ২০২১)। দ্বিতীয়বার অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন নেহা যেভাবে কাজ চালিয়ে গিয়েছেন, তা অনেক কর্মজীবী মায়ের কাছেই এক বড় অনুপ্রেরণা। বিশেষ করে ‘অ্যা থার্সডে’ ছবির শুটিংয়ের সময় তাঁর অদম্য জেদ ছিল দেখার মতো।

পরিণীতি চোপড়ার ‘মম টকস’-এ নিজের সেই অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে নেহা জানান, গর্ভাবস্থার আট মাস পার হওয়ার পরেও তিনি শুটিং চালিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “আমি কাজ করতে চেয়েছিলাম। গর্ভাবস্থার আট মাস পর্যন্ত আমি নিয়মিত কাজ করেছি। এমনকী আমার প্রসব বেদনা শুরু হয়েছিল যশরাজ স্টুডিওতেই!”নতুন মায়েদের নিয়ে সমাজের যে প্রচলিত ধারণা, তার বিরোধিতা করেছেন নেহা। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “একজন নারী হিসেবে, মা হওয়ার পরেও তোমার সব ইচ্ছে পূরণ করার ক্ষমতা থাকা উচিত। মা হওয়া মানেই যে জীবনের সূচ বা অভ্যাসের খুব বেশি পরিবর্তন হওয়া উচিত, তা কিন্তু নয়।”
নেহার এই অদম্য মানসিকতা আজ বহু আধুনিক কর্মজীবী মায়েদের কাছে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে।


‘জামিলি’র প্রশংসায় ডেভিড 

বলিউডের পর্দায় রাকেশ বেদি বরাবরই একজন বিশ্বস্ত অভিনেতা। তবে ‘ধুরন্ধর ২’ ছবির ‘জামিল জামালি’ চরিত্রটি যেন তাঁর কেরিয়ারে এক নতুন মাইলফলক। ছবি মুক্তির পর থেকেই দর্শকদের মুখে মুখে ফিরছে রাকেশ বেদীর নাম। তাঁর এই দেরিতে হলেও পাওয়া এই আকাশচুম্বী সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ডেভিড ধাওয়ান।রাকেশ বেদি এবং ডেভিড ধাওয়ানের বন্ধুত্ব প্রায় পাঁচ দশকের পুরনো। এফটিআইআই -এর ব্যাচমেট এই দুই তারকা একে অপরের কাজের অন্যতম বড় সমর্থক। বন্ধুর সাফল্যে ডেভিড বলেন, “আমাদের বন্ধুত্ব ৫০ বছরের। ও আমার অনেক সিনেমাতেই কাজ করেছে। আমার পরবর্তী ছবি ‘হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়’ -তেও ও আছে। আমি ওকে মজা করে বলেছিলাম, ‘৫০ বছর আগে লোকে তোমাকে চিনতে পারেনি, আর এখন তারা তোমাকে নতুন করে আবিষ্কার করছে!’” তিনি আরও বলেন, “ও সবসময়ই একজন দুর্দান্ত অভিনেতা ছিল। ওর বয়স এখন ৭০ পেরিয়েছে, এই বয়সে এসে এই স্বীকৃতি পাওয়াটা দারুণ এক ব্যাপার। ও এই সাফল্যের পুরোপুরি যোগ্য।”