সংবাদ সংস্থা মুম্বই: রণো মুখার্জির প্রয়াণে মুম্বইয়ে আয়োজিত হয়েছিল এক আবেগঘন প্রার্থনা সভা। সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন বলিউডের একাধিক তারকা– জয়া বচ্চন, কন্যা শ্বেতা বচ্চন, কাজল সহ আরও অনেকে। তবে সভার বাইরে পাপারাজ্জিদের উপস্থিতি ফের রোষের কারণ হয়ে দাঁড়াল জয়ার কাছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে জয়ার মেজাজ হারানোর মুহূর্তের একাধিক ভিডিও। সেখানে দেখা যাচ্ছে, রণো মুখার্জির ছেলে সম্রাট মুখার্জির সঙ্গে সিঁড়ি দিয়ে নামছেন জয়া। ঠিক সেই সময় চারপাশ ঘিরে ধরে পাপারাজ্জিরা। ভিড় দেখে জয়া বিরক্ত হয়ে বাংলায় সম্রাটকে বলেন, “এদের কেন ডাকো?” উত্তরে সম্রাট বলেন, “আমি ডাকিনি।”
?utm_source=ig_embed&utm_campaign=loading" target="_blank" rel="noopener">A post shared by Instant Bollywood (@instantbollywood)
এরপর গাড়ির অপেক্ষায় জয়া ও শ্বেতা দাঁড়িয়ে থাকাকালীন আরও একটি ভিডিও সামনে আসে। সেখানে জয়া কটাক্ষ করে বলেন, "চল, এবার তোরাও আমার গারিতে ওঠ,চলো, আসো...” এবং পরক্ষণেই বিড়বিড় করে বলে ওঠেন, “বকবক করতে থাকে সব, ফালতু...!”
এই প্রথম নয়, ক্যামেরার ফ্ল্যাশে বারবার ক্ষুব্ধ হয়েছেন জয়া বচ্চন। ২০২৩ সালে হেমা মালিনীর জন্মদিনে পাপারাজ্জিরা যখন তাঁকে ‘এদিকে তাকান’, ‘ওদিকে তাকান’ বলছিলেন, জয়ার মন্তব্য ছিল, “এত নির্দেশ দিচ্ছেন কেন?” ‘দ্য আর্চিজ’-এর প্রিমিয়ারেও টিনা আম্বানির সঙ্গে পোজ দিতে গিয়ে জয়া স্পষ্ট বলেন, “চেঁচাবেন না, একটু শান্ত থাকুন।”
সম্প্রতি করণ জোহরের ‘রকি ঔর রানি কি প্রেম কাহানি’-তে এক প্রবল ক্ষমতাশালী পরিবারের মাতৃশক্তির চরিত্রে দেখা গিয়েছিল জয়াকে। সিনেমাটিতে ছিলেন আলিয়া ভাট, রণবীর সিং, ধর্মেন্দ্র ও শাবানা আজমিও।
প্রসঙ্গত, প্রয়াত পরিচালক রণো মুখার্জি ‘হেওয়ান’ (১৯৭৭) এবং ‘তু হি মেরি জিন্দেগি’ (১৯৬৫)-র মতো ছবির নির্মাতা ছিলেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গত সপ্তাহে মুম্বইয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। কাজল, রানী মুখার্জি, আয়ান মুখার্জি, তনিশা মুখার্জিদের কাকা রণো মুখার্জি ছিলেন মুখার্জি পরিবারে প্রবীণতম, ও ছিলেন নর্থ বম্বে দুর্গাপূজার সভাপতিও।
একদিকে যেমন বলিউড তারকাদের উপস্থিতিতে ছিল এক ম্লান আবেগের ছায়া, তেমনি অন্যদিকে জয়া বচ্চনের রাগে ছিল এক পরিচিত চেনা ঝাঁজ। এই ঘটনা ফের মনে করিয়ে দিল, মিডিয়ার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।