শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে জনপ্রিয় সিরিজ ‘ব্রোকেন নিউজ ২’। প্রথম বারের মতোই দ্বিতীয় সিজনে সাংবাদিক-সঞ্চালক ‘জুহি শেরগিল’ সঞ্জিতা ভট্টাচার্য। যিনি সোনালি বেন্দ্রে ওরফে ‘আমিনা কুরেশি’র ছত্রছায়ায় কাজ করেন। আমিনা সেই জাতের সাংবাদিক, যাঁরা হলুদ সাংবাদিকতার ঘোর বিরোধী। ক্লিক বেট বা চটকদার শিরোনামের সাহায্যে অনৈতিক সাংবাদিকতা করতে পছন্দ করেন না। চিত্রনাট্যের খাতিরে এবারের সিজনে সোনালির চরিত্র আরও বিস্তৃত। ততটাই কি বিস্তৃত সঞ্জিতার চরিত্রও? মাঝে তিনি ‘জওয়ান’ ছবিতে এথিক্যাল হ্যাকার। দুটো ভিন্ন পেশায় অভিনয় করতে গিয়ে কী কী অভিজ্ঞতা হল?
আজকাল ডট ইনকে এ প্রসঙ্গে সঞ্জিতা বলেন, ‘‘আমিনার ছত্রছায়ায় কাজ করতে করতেই জুহি আগের তুলনায় অনেক বেশি পোড় খাওয়া সাংবাদিক-সঞ্চালক। এখন কেবল একটা নিউজ লিখেই তার দায়িত্ব শেষ নয়। সে লেখার আগে খবরের গভীরে ঢুকে নানা অজানা তথ্য জোগাড়ের চেষ্টা করে। যা তার লেখা খবরকে আরও পোক্ত করবে। প্রয়োজনে গবেষণা করে। তারপর সে দর্শকদের সামনে সেই খবর পরিবেশন করে। অর্থাৎ, সে এখন সিনিয়র রিপোর্টার, সংবাদপাঠিকা। ফলে, সোনালিজির মতোই আমার চরিত্রেরই গুরুত্ব আগের তুলনায় বেড়েছে।’’ আরও জানিয়েছেন, ছোট থেকে নানা জিনিস তিনি শিখেছেন। কিন্তু বরাবরের ঝোঁক অভিনয় আর সংবাদপাঠের উপরে। ওই বয়সেই তিনি সঞ্চালনা মনোযোগ দিয়ে শুনতেন। খুঁটিয়ে দেখতেন সংবাদপাঠক, সঞ্চালিকাদের। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কতবার জনপ্রিয় সঞ্চালিকা বা সংবাদপাঠিকাদের অনুকরণ করেছেন! বাস্তবে না হোক, পর্দায় পছন্দের সেই পেশায় নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ পেয়ে তিনি খুব খুশি। ছোটবেলার সেই অভ্যেস এত দিনে ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পেরেছেন। পরপর দুটো সিজনে সাংবাদিকের ভূমিকায় অভিনয় করতে করতে এও উপলব্ধি করেছেন, তাঁর পরিচিত সাংবাদিকদের কত ঝুঁকি, কত দায়িত্ব নিয়ে প্রতিটি কাজ করতে হয়।
দ্বিতীয় প্রশ্নের জবাবও তাঁর ঠোঁটের গোড়ায়। তাঁর যুক্তি, ‘‘এথিক্যাল হ্যাকার তাঁদের বলে যাঁদের হ্যাকিং ইতিবাচক কাজ বা উপকারে লাগে। যেমন, শত্রু বা বিরোধী পক্ষ, সন্ত্রাসবাদী, আততায়ীর ল্যাপটপ থেকে লুকিয়ে রাখা তথ্য উদ্ধার করা এঁদের কাজ। ‘জওয়ান’ ছবির ‘হেলেনা’ তাই-ই। একই ভাবে ‘জুহি’ও তার সংস্থার জন্য তথ্য সরবরাহ করে থাকে। তবে ভিন্ন উপায়ে। আপাতদৃষ্টিতে দুটো পেশা ভিন্ন। কিন্তু দিনের শেষে কোথাও যেন এক। উভয়কেই প্রচণ্ড পরিশ্রম করতে হয়। উভয়েই তাদের কাজের জন্য নিবেদিতপ্রাণ।’’ এও জানান, একটি চরিত্র ছেড়ে বেরিয়ে আসার সময় তিনি তাকে পিছনে ফেলে রেখেই আসেন। যাতে পরের কাজে তার কোনও ছায়া না পড়ে। ‘জুহি’ হয়ে ওঠার সময় সঞ্জিতাও একই ভাবে ‘হেলেনা’কে ভুলে গিয়েছেন।
২০২২-এর পর সোনালি বেন্দ্রের সঙ্গেে আবারও কাজ। এক বছরে সোনালি আদৌ বদলেছেন?
অভিনেত্রীর সাফ জবাব, ‘‘বদলাবেন কেন! বরং চরিত্রের আরও গভীরে ঢুকেছেন। ‘আমিনা’কে আরও রক্ত-মাংসের জীবন্ত করে তুলেছেন। সিজন ২ মুক্তির সঙ্গে সঙ্গে সবাই তাই ওঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। সোনালিজির মতো অভিনেত্রীদের এখনও অনেক কিছু দেওয়া বাকি। ওঁদের সঙ্গে কাজ করা মানে অনেক কিছু শেখা। অবশ্যই তিনি আমাদের ছোটখাটো পরামর্শ দিতেন। এবং দেখেছি, ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ে ফেরার পরেও প্রাণশক্তি অটুট। প্রচণ্ড পরিশ্রম করতে পারেন। কখনও ক্লান্ত হন না। যদিও ওঁর সঙ্গে বেশি সময় কাটাইনি। কিন্তু একসঙ্গে কাজের সূত্রে এগুলো তো চোখে পড়েই।’’ বদলে তাঁর বেশি বন্ধুত্ব শ্রিয়া পিলগাঁওকর, তারুক রায়নার সঙ্গে। তারুক আর সঞ্জিতা ক্লাস এইট থেকে বন্ধু। ফলে, একসঙ্গে কাজ করতে সুবিধে হয়েছে। আর প্রথম সিজন থেকেই শ্রিয়ার সঙ্গে খুব ভাল বন্ধুত্ব। শুটের অবসরে এঁদের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতেন।
আজকাল ডট ইনকে এ প্রসঙ্গে সঞ্জিতা বলেন, ‘‘আমিনার ছত্রছায়ায় কাজ করতে করতেই জুহি আগের তুলনায় অনেক বেশি পোড় খাওয়া সাংবাদিক-সঞ্চালক। এখন কেবল একটা নিউজ লিখেই তার দায়িত্ব শেষ নয়। সে লেখার আগে খবরের গভীরে ঢুকে নানা অজানা তথ্য জোগাড়ের চেষ্টা করে। যা তার লেখা খবরকে আরও পোক্ত করবে। প্রয়োজনে গবেষণা করে। তারপর সে দর্শকদের সামনে সেই খবর পরিবেশন করে। অর্থাৎ, সে এখন সিনিয়র রিপোর্টার, সংবাদপাঠিকা। ফলে, সোনালিজির মতোই আমার চরিত্রেরই গুরুত্ব আগের তুলনায় বেড়েছে।’’ আরও জানিয়েছেন, ছোট থেকে নানা জিনিস তিনি শিখেছেন। কিন্তু বরাবরের ঝোঁক অভিনয় আর সংবাদপাঠের উপরে। ওই বয়সেই তিনি সঞ্চালনা মনোযোগ দিয়ে শুনতেন। খুঁটিয়ে দেখতেন সংবাদপাঠক, সঞ্চালিকাদের। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কতবার জনপ্রিয় সঞ্চালিকা বা সংবাদপাঠিকাদের অনুকরণ করেছেন! বাস্তবে না হোক, পর্দায় পছন্দের সেই পেশায় নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ পেয়ে তিনি খুব খুশি। ছোটবেলার সেই অভ্যেস এত দিনে ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পেরেছেন। পরপর দুটো সিজনে সাংবাদিকের ভূমিকায় অভিনয় করতে করতে এও উপলব্ধি করেছেন, তাঁর পরিচিত সাংবাদিকদের কত ঝুঁকি, কত দায়িত্ব নিয়ে প্রতিটি কাজ করতে হয়।
দ্বিতীয় প্রশ্নের জবাবও তাঁর ঠোঁটের গোড়ায়। তাঁর যুক্তি, ‘‘এথিক্যাল হ্যাকার তাঁদের বলে যাঁদের হ্যাকিং ইতিবাচক কাজ বা উপকারে লাগে। যেমন, শত্রু বা বিরোধী পক্ষ, সন্ত্রাসবাদী, আততায়ীর ল্যাপটপ থেকে লুকিয়ে রাখা তথ্য উদ্ধার করা এঁদের কাজ। ‘জওয়ান’ ছবির ‘হেলেনা’ তাই-ই। একই ভাবে ‘জুহি’ও তার সংস্থার জন্য তথ্য সরবরাহ করে থাকে। তবে ভিন্ন উপায়ে। আপাতদৃষ্টিতে দুটো পেশা ভিন্ন। কিন্তু দিনের শেষে কোথাও যেন এক। উভয়কেই প্রচণ্ড পরিশ্রম করতে হয়। উভয়েই তাদের কাজের জন্য নিবেদিতপ্রাণ।’’ এও জানান, একটি চরিত্র ছেড়ে বেরিয়ে আসার সময় তিনি তাকে পিছনে ফেলে রেখেই আসেন। যাতে পরের কাজে তার কোনও ছায়া না পড়ে। ‘জুহি’ হয়ে ওঠার সময় সঞ্জিতাও একই ভাবে ‘হেলেনা’কে ভুলে গিয়েছেন।
২০২২-এর পর সোনালি বেন্দ্রের সঙ্গেে আবারও কাজ। এক বছরে সোনালি আদৌ বদলেছেন?
অভিনেত্রীর সাফ জবাব, ‘‘বদলাবেন কেন! বরং চরিত্রের আরও গভীরে ঢুকেছেন। ‘আমিনা’কে আরও রক্ত-মাংসের জীবন্ত করে তুলেছেন। সিজন ২ মুক্তির সঙ্গে সঙ্গে সবাই তাই ওঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। সোনালিজির মতো অভিনেত্রীদের এখনও অনেক কিছু দেওয়া বাকি। ওঁদের সঙ্গে কাজ করা মানে অনেক কিছু শেখা। অবশ্যই তিনি আমাদের ছোটখাটো পরামর্শ দিতেন। এবং দেখেছি, ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ে ফেরার পরেও প্রাণশক্তি অটুট। প্রচণ্ড পরিশ্রম করতে পারেন। কখনও ক্লান্ত হন না। যদিও ওঁর সঙ্গে বেশি সময় কাটাইনি। কিন্তু একসঙ্গে কাজের সূত্রে এগুলো তো চোখে পড়েই।’’ বদলে তাঁর বেশি বন্ধুত্ব শ্রিয়া পিলগাঁওকর, তারুক রায়নার সঙ্গে। তারুক আর সঞ্জিতা ক্লাস এইট থেকে বন্ধু। ফলে, একসঙ্গে কাজ করতে সুবিধে হয়েছে। আর প্রথম সিজন থেকেই শ্রিয়ার সঙ্গে খুব ভাল বন্ধুত্ব। শুটের অবসরে এঁদের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতেন।
