আদিত্য ধরের ‘ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজি ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে রীতিমতো ঝড় তুলেছে। বিশ্বজুড়ে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির দু'টি ছবি-ই ১০০০ কোটি টাকার মাইলফলক ছুঁয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে। তবে এই অভাবনীয় সাফল্যের পাশাপাশি ছবির একটি অংশকে ‘প্রোপাগান্ডা’ বা প্রচারমূলক বলেও দাবি করেছে সমালোচকদের একাংশ। তবে এই বিতর্ককে পাত্তাই দেননি নির্মাতারা। এবার এই স্পাই থ্রিলারটির সমর্থনে কড়া ভাষায় মুখ খুললেন প্রবীণ চিত্রনাট্যকার ও গীতিকার জাভেদ আখতার।


সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন জাভেদ আখতার। সেখানে তাঁকে ‘ধুরন্ধর’ ছবির ‘প্রোপাগান্ডা’ তকমা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, তিনি ‘প্রোপাগান্ডা ফিল্ম’ বলতে কী বোঝায় তা জানেন না। ছবির শৈলী ও বিষয়বস্তুর খোলা মনে প্রশংসা করেন। জাভেদ আখতারের মতে, ফ্র্যাঞ্চাইজির দ্বিতীয় ছবির চেয়ে প্রথম ছবিটি আরও বেশি চমৎকার ছিল। এরপরই তিনি প্রশ্ন তোলেন, “প্রতিটি গল্পই তো কোনও না কোনও অবস্থান নেয়। তবে কি সেই বয়ান দর্শকদের একটি অংশের পছন্দ না হলেই তা প্রোপাগান্ডা হয়ে যায়?” জাভেদ আখতারের মতে, প্রতিটি নির্মাতারই নিজেদের মতো করে সত্য তুলে ধরার অধিকার রয়েছে। এমনকী রূপকথার গল্পের নেপথ্যেও একটি নির্দিষ্ট আদর্শ বা নৈতিকতা লুকিয়ে থাকে।

এর আগে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারেও জাভেদ আখতার ‘সুপারবয়েজ অব মালেগাঁও’ এবং ‘ধুরন্ধর’ ছবির ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। তিনি নিজে ফোন করে পরিচালক আদিত্য ধরকে একটি চমৎকার ছবি বানানোর জন্য অভিনন্দনও জানিয়েছিলেন।

 

 

‘ধুরন্ধর ২’-এর বিপুল সাফল্যের পর আদিত্য ধরের স্ত্রী তথা অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতমও এক সাক্ষাৎকারে জানান যে, এই বিশাল সাফল্যে তাঁদের জীবনে বিশেষ কোনও পরিবর্তন আসেনি। আদিত্যর স্বভাবের প্রশংসা করে ইয়ামি  বলেন, “আমি ওর জীবনের অনেক ওঠাপড়া দেখেছি, তবে কোনো সময়ই আমরা হতাশা প্রকাশ করিনি। আমরা আমাদের এই সাফল্যের জন্য ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ।”

চলতি বছরের ১৯শে মার্চ মুক্তি পাওয়া ‘ধুরন্ধর ২’ বিশ্বজুড়ে ১৭০০ কোটি টাকার বেশি আয় করেছে। চলতি বছরের ১৯শে মার্চ মুক্তি পাওয়া ‘ধুরন্ধর ২’ বিশ্বজুড়ে ১৭০০ কোটি টাকার বেশি আয় করেছে।