টিনসেল টাউনে খবর অফুরান। বিনোদনের সমস্ত খবর জানতে যদি চান, চোখ রাখুন নজরে বিনোদনে। জেনে নিন সারাদিনের গরমা গরম খবর কী?

সলমনের বাবার স্বাস্থ্যের আপডেট দিলেন জাভেদ খান

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন  বলিউডের বর্ষীয়ান চিত্রনাট্যকার সেলিম খান। ৯০ বছরের প্রবীণ ব্যক্তিত্বের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ ছড়ায়। মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতাল-এর আইসিইউতে রাখা হয় সলমন খানের বাবাকে। হাসপাতাল সূত্রে খবর পাওয়া যায়, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে সেলিম খানের জটিলতা বেড়েছে। তবে বর্তমানে তাঁর স্বাস্থ্য পরিস্থিতি অনেকটা স্থিতিশীল হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন সেলিম খানের বন্ধু, গীতিকার ও লেখক জাভেদ আখতার। তাঁর কথায়, "সেলিম এখন চেয়ারে বসতে পারছেন, কথা বলছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। হাসপাতালে চিকিৎসা চলছেই এবং পরিবারের সদস্যরা তাঁর পাশে রয়েছেন।" এই খবরে স্বস্তি পেয়েছেন অনুরাগীরা। ইতিমধ্যে বলিউডের অনেক তারকা সেলিম খানকে দেখতে গিয়েছেন। 

দীপিকার ৮ ঘণ্টার শিফট নিয়ে কী মত অনন্যার?

শকুন বত্রা পরিচালিত ছবি 'গেহরাইয়া'-তে দুই বোনের চরিত্রে দেখা গিয়েছিল দীপিকা পাড়ুকোন ও অনন্যা পাণ্ডেকে। বাস্তবেও নাকি দুই বোনের মতোই মিল রয়েছে দীপিকা-অনন্যার! এমনটা অনন্যা নিজে দাবি করেছিলেন। এবার ৮‑ঘন্টার শিফট নিয়েও খোলাখুলি দীপিকাকে সমর্থন জানিয়েছেন চাঙ্কি কন্যা। তাঁর কথায়, “দীপিকা এখন একজন মা। তাই তার বাচ্চার সঙ্গে সময় কাটানো এবং নিজের স্বাস্থ্য-সুরক্ষার জন্য ৮ ঘণ্টার কাজ করা একেবারে স্বাভাবিক এবং প্রয়োজনীয়।” তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, মা হওয়ার আগে দীপিকা এমন কোনও শর্ত কখনও দেননি। এখন তাঁকে পরিবার এবং কাজের ভারসাম্য রাখতে হবে। প্রসঙ্গত বলিউডে সম্প্রতি ৮‑ঘন্টার শিফট নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। আর তা যে দীপিকার অনেক সহকর্মী গুরুত্ব দিয়েছেন তা অনন্যার বক্তব্যে ফের উঠে এসেছে।

সিদ্ধার্থ-কিয়ারার বিয়ের ভিডিওর অজানা গল্প ফাঁস করলেন মনীশ মালহোত্রা

কনের বেশে নাচতে নাচতেই মনের মানুষের দিকে এগিয়ে যান কিয়ারা আদবানি। বরমালা পরিয়ে কাছে টেনে নেন সিদ্ধার্থ মলহোত্রাকে। ঠোঁটে এঁকে দেন ভালবাসার চুম্বন। সিদ্ধার্থ-কিয়ারার বিয়ের এই ভিডিও দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন অনুরাগীরা। কিন্তু বিয়ের এই ভিডিও নাকি প্রকাশই পেত না। এমনটাই জানিয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় ডিজাইনার মনিশ মলহোত্রা। তিনিই নাকি নবদম্পতিকে অনুরোধ করে বলেছিলেন, “এই ভিডিও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করো।” ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের সুর্যগড় প্রাসাদে ঘরোয়া এবং রাজকীয়ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন সিদ্ধার্থ ও কিয়ারা। মনিশের কথায় বিয়ের এই ভিডিও শুধুই স্মৃতি নয়, নবদম্পতির আনন্দ এবং মুহূর্ত সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার একটি সুযোগ। বিয়ের পর ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা হলে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।