মার্চ মাসের ১৯ তারিখ মুক্তি পাওয়া 'ধুরন্ধর ২' বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। কিন্তু জানেন কি 'ধুরন্ধর' এবং 'ধুরন্ধর ২' ছবিটির মিলিত আয় এই ছবির বক্স অফিসে আয়ের কাছে নস্যি? এমনকী 'দঙ্গল', 'বাহুবলী' বা 'আরআরআর' ছবিগুলোও এটির ধারেপাশে নেই আয়ের নিরিখে। ভারতের সর্ববৃহৎ বক্স অফিস হিট বলতে যা বোঝায় এই ছবি ঠিক যেন তাই। কথা হচ্ছে 'মুঘলে আজম'কে নিয়ে।
ইনফ্লেশনকে মাথায় রেখে, সেটাকে সমকালের সঙ্গে যদি অ্যাডজাস্ট করা যায় তাহলে 'মুঘলে আজম' ছবিটি প্রায় ৪০০০ কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল। 'দঙ্গল' ভারতের সবথেকে বেশি আয় করা ছবি, এবং তা সংখ্যার নিরিখে। ২০১৬ সালে এটি বিশ্বজুড়ে ৭০০ কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল। পরবর্তীতে চিন এবং হংকংয়ে মুক্তি পাওয়ার ছবিটি আরও ১৩০০ কোটির ব্যবসা করেছিল। ফলে সব মিলিয়ে ২০৭০ কোটি টাকা আয় করেছিল ছবিটি। বর্তমান সময়ের ইনফ্লেশন দেখলে ২০২৬ এর নিরিখে এই ছবিটির আয় ২৮৫০ কোটি টাকা। তাও এটি ভারতের সবথেকে বেশি আয় করা ছবি নয়। এমনকী দ্বিতীয় স্থানেও নেই।
এই তালিকার দ্বিতীয় স্থানে আছে 'শোলে'। অমিতাভ বচ্চন এবং ধর্মেন্দ্র অভিনীত এই ছবিটির আয় ২০২৬ সালের নিরিখে প্রায় ৩০০০ কোটি টাকা। কিন্তু এর থেকে বেশি আয় করেছিল 'মুঘলে আজম'। ১৯৬৯ সালে মুক্তি পাওয়া ছবিটি ১১ কোটি টাকা আয় করেছিল বক্স অফিসে। অর্থাৎ বর্তমান সময়ের নিরিখে ৩৯০০ কোটি টাকা। মানে প্রায় ৪০০০ কোটি। সেখানে 'ধুরন্ধর' ফ্র্যাঞ্চাইজির দুটো ছবির মিলিত আয় ৩১০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ 'ধুরন্ধর' ফ্র্যাঞ্চাইজির দুটো ছবিকে টপকে প্রথম স্থানে রয়েছে মুঘলে আজম। যখন মুক্তি পেয়েছিল ছবিটির ১০ কোটি টিকিট বিক্রি হয়েছিল।
ভারতের সেরা ১০ ছবি আয়ের নিরিখে হল 'মুঘলে আজম', 'শোলে', 'দঙ্গল', 'বাহুবলী ২', 'মাদার ইন্ডিয়া', 'হাম আপকে হ্যায় কৌন', 'দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে', 'আওয়ারা', 'পুষ্পা ২', এবং 'ডিস্কো ডান্সার'।
'মুঘলে আজম' ছবিটিতে মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন মধুবালা, দিলীপ কুমার, পৃথ্বীরাজ কাপুর, নিগার সুলতানা, প্রমুখ।















