দিন এগোচ্ছে, অরিন্দম শীলের ‘ঝিন্দের বন্দি’ নিয়ে চর্চা ততই বাড়ছে!

তপন সিংহের ১৯৬১ সালের এই ছবি নানা কারণে দর্শকপ্রিয়। তার মধ্যে অন্যতম আকর্ষণ উত্তমকুমার-সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বৈরথ। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ঐতিহাসিক থ্রিলারে নায়ক ‘গৌরীশঙ্কর রায়’ ওরফে ‘শঙ্কর সিং’য়ের চরিত্রে মহানায়ক। খলনায়ক ‘ময়ূরবাহন’ সত্যজিৎ রায়ের প্রিয় অভিনেতা। সেই ছবির নতুন সংস্করণ হচ্ছে শুনেই নড়ে বসেছিল বাঙালি দর্শক। তাঁদের প্রথম এবং প্রধান কৌতূহল, কালজয়ী চরিত্রে কাদের দেখা যাবে?

খবর ছড়ানোর পর প্রথম শোনা গিয়েছিল, যিশু সেনগুপ্ত-অনির্বাণ ভট্টাচার্যকে দেখা যাবে দুই তুমুল জনপ্রিয় চরিত্রে। সেই জল্পনা জোরালো হয়েছিল, ছবির প্রযোজক হিসেবে এসভিএফের নাম উঠে আসায়। তাদের পুজোমুক্তি ‘দশম অবতার’-এ এই দুই অভিনেতা দাপিয়ে অভিনয় করেছেন। ২০২৪ পড়তেই সেই খবরে নতুন রং। টলিউড বলছে, জুটিতে নাকি বদল আসতে পারে। অনির্বাণ থাকছেন। যিশু বদলে নাকি দেখা দেবেন আবীর চট্টোপাধ্যায়। সদ্য হইচই স্টুডিওর প্রথম ছবি ‘শ্রী স্বপনকুমারের বাদামী হায়নার কবলে’তে গোয়েন্দা দীপক চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। ফলে, তাঁর ‘এন্ট্রি’ নিয়ে অনেকেই আশাবাদী।

তপন সিংহের ছবিতে দুই পুরুষের মধ্যবর্তিনী ‘রানি কস্তুরী বাঈ’। এই চরিত্র জীবন্ত করেছিলেন অরুন্ধতী মুখোপাধ্যায়। অরিন্দমের ছবিতে এই ভূমিকায় কাকে দেখা যাবে? আপাতত সেবিষয়ে কোনও চর্চা শোনা যায়নি। এই ছবি প্রথমে ক্যামেরাবন্দির আগ্রহ দেখিয়েছিল দাগ প্রযোজনা সংস্থা। পরিচালক হিসেবে প্রযোজকের প্রথম পছন্দ অঞ্জন দত্ত। পরে সেই জায়গায় নাম উঠে এসেছিল পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের।