আরব সাগরে লক্ষ ঢেউ। কোনও ঢেউ ভাঙে, কোন ঢেউ গড়ে... জানতে পারেন কেউ? মায়ানগরীর আনাচেকানাচে গুনগুন ফিসফাস। খবরের কানাকানিতে থমকে বাতাস। সারা দিনের খবরাখবর শেষবেলায় আজকাল ডট ইনের পাতায়...

 একসময় ১০ হাজার টাকার জন্যও অনুষ্ঠান করতাম: দিলজিৎ 

আজ বিশ্বজোড়া খ্যাতি, কনসার্টে হাজার হাজার দর্শক—কিন্তু এই জায়গায় পৌঁছানোর পথটা মোটেও সহজ ছিল না পাঞ্জাবি গায়ক ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্জের। এক সাক্ষাৎকারে নিজের শুরুর দিনের সংগ্রামের কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, একটা সময় বিয়েবাড়ি ও জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গান গেয়ে উপার্জন করতেন। পারিশ্রমিক হিসেবে কখনও ৫ হাজার, কখনও ১০ হাজার, কখনও ১৫ হাজার টাকা পেতেন। কোনও সুযোগকেই না বলতেন না, দিন-রাত কাজ করতেন।
দিলজিৎ বলেন, তিনি খুব সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। ছোটবেলায় অর্থের অভাব তাঁকে বুঝিয়েছিল টাকার গুরুত্ব। সেই কঠিন সময়ই তাঁকে বড় স্বপ্ন দেখতে এবং পরিশ্রম করতে শিখিয়েছে। আজকের সাফল্যের পিছনে রয়েছে সেই লড়াইয়ের দিনগুলোর অভিজ্ঞতা।

আমিশা নয়, অন্য দুই নায়িকার অভিনয় করার কথা ছিল 'গদর' ছবিতে 


বলিউডের জনপ্রিয় ছবি ‘গদর: এক প্রেম কথা’-র কাস্টিং নিয়ে নতুন তথ্য সামনে আনলেন পরিচালক অনিল শর্মা। তিনি জানান, সাকিনার চরিত্রের জন্য প্রথমে কাজল ও ঐশ্বর্য রাইয়ের নামও ভাবা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই চরিত্রে অভিনয় করেন আমিশা পটেল।
পরিচালকের কথায়, বেশ কয়েকজন অভিনেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল এবং কেউ কেউ চিত্রনাট্য পছন্দও করেছিলেন। কিন্তু ছবির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল খলনায়ক আশরাফ আলির চরিত্রে ওমরেশ পুরীর উপস্থিতি। বাজেটের কথা মাথায় রেখে অনিল শর্মা জনপ্রিয় নায়িকার বদলে নতুন মুখ হিসেবে আমিশাকে সুযোগ দেন। ওমরেশ পুরী ছাড়া অন্য কাউকে ভাবতেই পারেননি৷ তাই জনপ্রিয় নায়িকাদের নেওয়ার পরিবর্তে নতুন মুখের কথাই ভেবেছিলেন৷ আজও দর্শকদের মনে ‘সাকিনা’ হিসেবে আমিশা পটেলের জায়গা অটুট।

 

পাপারাৎজির কারণে পর্দায় তারকাকে দেখার আগ্রহ কমছে?  কী বলছেন সইফ?  

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সইফ আলি খান সম্প্রতি বাড়তে থাকা পাপারাৎজি সংস্কৃতি নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন। অভিনেতার মতে, প্রতিদিন তারকাদের ক্যামেরার সামনে তুলে ধরার এই প্রবণতা অনেক সময় তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনের গোপনীয়তা নষ্ট করছে৷  তিনি মনে করেন, অতিরিক্ত নজরদারি সিনেমার পর্দার সেই রহস্য ও আকর্ষণকেও কিছুটা নষ্ট করে দেয়।
সইফ বলেন, বিষয়টি নিয়ে নেতিবাচক কথা বলা বেশ কঠিন, কারণ একজন তারকা হিসেবে মিডিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখাও জরুরি। তবে তিনি মনে করেন, সাংবাদিকতা এবং পাপারাৎজি সংস্কৃতি এক জিনিস নয়। ব্যক্তিগত পরিসর ও সীমারেখার প্রতি সম্মান থাকা প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।