২০১১ সালে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধে তৃণমূল কংগ্রেস জয়েন করেন চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। সেই বছর বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করেন এবং বিজয়ী হন। ২০১৬ এবং ২০২১ সালেও তিনি নির্বাচনের ময়দানে নামেন এবং বিজয়ী হন। তবে বর্তমানে তিনি আর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন। নেপথ্যে কোন কারণ অভিমান না অন্য কিছু? অভিমান ছবির প্রিমিয়ারে এসে মুখ খুললেন চিরঞ্জিত চক্রবর্তী।
২০২৬ সালে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে পালাবদলের পর যেখানে এক এক করে বহু বিধায়ক, সাংসদ দল ছাড়ছেন, অভিমান প্রকাশ করছেন, সেখানে তাঁদের মতো কি চিরঞ্জিত চক্রবর্তীরও দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ, অভিমান জমে? তাই রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত? বর্ষীয়ান অভিনেতা এদিন বলেন, "আমি রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছি। আমি রাজনীতিতে নেই আর। এখন আর রাজনীতিবিদ নই, আম জনতা। কোনও অভিমান নয়। খালি ট্র্যাক বদলে গিয়েছে। যে ট্র্যাকে দৌড়াচ্ছিলাম, হঠাৎ দেখলাম ট্রেন লাইন বাঁদিকে বেঁকতে আরম্ভ করল। যখন থেকে বেঁকছে তখন থেকেই আমি না বলে যাচ্ছি। জানিয়েছিলাম আর থাকতে চাইছি না, বেরিয়ে যাব। এতদিন অ্যাপ্রুভ হচ্ছিল না। এবার শেষ পর্যন্ত হল, ২০২৬ সালে এসে।"
দলের সঙ্গে কোনও সমস্যা ছিল কিনা সেই প্রসঙ্গে অভিনেতা বলেন, "আমার সঙ্গে কোনও সমস্যা ছিল না। আমার নিজের মনে হচ্ছিল চারপাশে যা যা ঘটছে সেটার সঙ্গে আমি যাই না। সেটার কারণেই সরে গিয়েছি।
একেবারেই ভাল লাগছে না। হওয়া উচিতও না। আমি একটা পার্টি থেকে আরও একটা পার্টিতে যাওয়ার জন্য রাজনীতি করি না। জয়েনও করিনি অন্য কোথাও।"
এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, ১৯ জুন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল 'অভিমান' ছবিটির প্রিমিয়ার। ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত পরিচালিত ছবিটিতে মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় এবং যিশু সেনগুপ্ত। যিশু ও সৌরভ দাসের প্রযোজনা সংস্থা হোয়াই সো সিরিয়াসের প্রথম প্রযোজিত ছবি এটি।















