বাংলাজুড়ে এবার চালু হতে চলেছে প্রিপেইড স্মার্ট মিটার।
2
9
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর জানিয়েন, পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র স্মার্ট মিটার বসবে। জুলাই থেকে পুরোদমে স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ শুরু হতে চলেছে। রাজ্য বিদ্যুৎ বন্টন নিগম লিমিটেড এখনই প্রায় সাত লক্ষ স্মার্ট মিটার বসিয়ে ফেলেছে।
3
9
রাজ্যের সর্বত্র প্রিপেইড স্মার্ট মিটার বসাতে কেন তৎপর কেন্দ্রীয় সরকার?
4
9
কেন্দ্রের যুক্তি, রিচার্জ এই ব্যবস্যা বিদ্যুৎ অপচয় কমবে। মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে প্রতিদিন বা প্রতি ঘণ্টার বিদ্যুৎ খরচ ট্র্যাক করা যাবে। মিটারের রিডিং-ও বেশ নিখুঁত।
5
9
এছাড়া, প্রিপেইড ব্যবস্থার কারণে মোবাইল রিচার্জের মতোই নিজের বাজেট অনুযায়ী বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে। অ্যাপের মাধ্যমেই রিচার্জ ও বিলিংয়ের সব কাজ হয়ে যাবে। টাকা শেষ হওয়ার আগে অ্যালার্ট বা নোটিফিকেশনও মিলবে।
6
9
প্রিপেড স্মার্ট মিটারে সরকারের কী কী সুবিধা? ক) বিদ্যুৎ চুরি রোধ: হুকিং বা মিটার কারচুপি করে বিদ্যুৎ চুরি করা অসম্ভব। মিটারে কোনো রকমের কারচুপি করার চেষ্টা করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কন্ট্রোল রুমে অ্যালার্ট চলে যায়।
7
9
খ) বকেয়া বিলের ঝামেলা মুক্তি: প্রিপেইড সিস্টেমের কারণে 'আগে টাকা, তারপর বিদ্যুৎ'। ফলে সরকারের কোটি কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পড়ে থাকার বা ব্যাড ডেট হওয়ার কোনও ঝুঁকি থাকে না।
8
9
গ) ম্যানপাওয়ার ও খরচ হ্রাস: বাড়ি বাড়ি গিয়ে মিটার রিডারদের রিডিং নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। দূর থেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডেটা সার্ভারে চলে আসে। ফলে ঝক্কি কম।
9
9
গ্রিড ম্যানেজমেন্ট ও লোড শেডিং হ্রাস: কোন এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা কেমন, তা রিয়েল-টাইমে বোঝা যায়। ফলে ট্রান্সফরমার পুড়ে যাওয়া বা ওভারলোডিংয়ের সমস্যা এড়ানো সহজ।