সদ্যই মুক্তি পেয়েছে 'ককটেল ২'। ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া 'ককটেল' ছবির কোনও অভিনেতা, অভিনেত্রীরা সিক্যুয়েলে নেই। তবে সেই আইকনিক ছবির প্রসঙ্গে আবারও চর্চায় উঠে এসেছে সিক্যুয়েল মুক্তি পেতে। এবার জানা গেল সইফ আলি খান মোটেই প্রথম পছন্দ ছিলেন না এই ছবির জন্য! তাহলে কে? 

'ককটেল' ছবিটিতে মুখ্য ভূমিকায় সইফ আলি খানের পাশাপাশি দীপিকা পাড়ুকোন, ডায়না পেন্টিকে দেখা গিয়েছিল। তবে এই চরিত্রের প্রথম অফার সইফের কাছে যায়নি। বরং নির্মাতাদের নায়ক খুঁজতে বেশ বেগ পেতে হয়েছিল। এই বিষয়ে সম্প্রতি সইফ একটি সাক্ষাৎকারে বলেন ডায়না এবং দীপিকা ফাইনাল হয়ে গেলেও নায়ক পাওয়া যাচ্ছিল না। কিন্তু কেন? সম্ভাব্য কারণ জানিয়ে অভিনেতা বলেন, 'হয়তো ভেরোনিকার চরিত্রটা এত ভাল আর লোভনীয় ছিল সেই কারণেই।' 'ভেরোনিকা' অর্থাৎ দীপিকার করা চরিত্র। 

সইফ আলি খান এদিন আরও বলেন, 'আমার মনে আছে ওঁরা যে নামগুলো বলেছিলেন। ওঁরা ইমরান খান, রণবীর কাপুরকে প্রথমে চরিত্রটি অফার করেছিল। এছাড়া আরও বেশ কয়েকজনকে বলেছিল। কিন্তু সবাই না করে দেয়। তখন আমি বলি যে চল, ঠিক আছে আমি করে দেব। আর আমার মনে হয় ওঁরা সকলেই খুব কৃতজ্ঞ যে আমি ছবিটা করেছিলাম। খুব মজা করে করে কাজটা করেছিলাম।' 

এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, রণবীর যে কেবল নিজে ছবিটি করতে চাননি সেটাই নয়। বলিউডের অন্দরের ফিসফাস অনুযায়ী তিনি দীপিকাকেও ছবিটি করতে বারণ করেন। কিন্তু অভিনেত্রী নিজের মনের কথা শোনেন এবং কাজটি করেন। বাকিটা ইতিহাস। 'ককটেল' মুক্তি পাওয়ার পর তাঁকে অনেকেই দীপিকার বদলে 'ভেরোনিকা'। বলে ডাকতেন, চরিত্রটা এতটাই জনপ্রিয় হয়েছিল। বক্স অফিসেও ভাল ব্যবসা করে ছবিটি। পরবর্তীতে রণবীর নিজেও স্বীকার করেন যে ছবিটি ফিরিয়ে তিনি ঠিক করেননি। 

অন্যদিকে সদ্য মুক্তি পাওয়া 'ককটেল ২' ছবিটিতে মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন শাহিদ কাপুর, কৃতি শ্যানন এবং রশ্মিকা মান্দানা।