নতুন বছরে নতুন বিপদের মুখে আদি-আনন্দীর পরিবার! কিছুদিন আগে ছোট্ট উমাকে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করেছিল দময়ন্তী। কিন্তু সে ধরা পড়লেও বিপদ পিছু ছাড়েনি একেবারেই। প্রকাশ্যে এল দময়ন্তীর আসল পরিচয়। দময়ন্তী হল নন্দিনীর মেয়ে! কিন্তু তার বাবা কে? চিন্তা ধরালো আদির মনে। সে সন্দেহ করতে থাকে তার বাবাকে। কারণ, এত বছর পর নন্দিনী ফিরে এসে তাদের পরিবারের উপর হামলা করছে মেয়ের মাধ্যমে।
আদি তার বাবাকে প্রশ্ন করে, কেন নন্দিনীর এত রাগ তাদের পরিবারের উপর? দময়ন্তীর বাবার আসল পরিচয় কী? যদিও ছেলের এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে না সে। খানিকটা এড়িয়েই যায়। আদি-আনন্দীর পরিবারে খুশির আমেজ যেন এসেও বারবার চলে যাচ্ছে। শেষমেশ কী হতে চলেছে ধারাবাহিকে? সদ্য সামনে আসা প্রোমো দেখে এই প্রশ্ন এখন ঘুরছে দর্শকের মনে।
এক্ষেত্রে বলে রাখা ভাল, নতুন মোড়ে বদল হয়েছে নন্দিনীর মুখ। এই চরিত্রে দর্শক আগে দেখতেন অভিনেত্রী রূপালী ভট্টাচার্যকে। তবে কিছুদিন গড়াতেই মেগা থেকে বাদ যায় তাঁর চরিত্রটি। তবে এই নতুন টুইস্টে আবারও ফিরছে নন্দিনী। কিন্তু এই চরিত্রে ফিরছেন না রূপালী। বরং তাঁর বদলে দেখা যেতে চলেছে অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে।
গল্পে চিকিৎসার সূত্রেই একে অপরের সঙ্গে আলাপ হয় আদি এবং আনন্দীর। ঘটনা সূত্রে তাদের বিয়ে হয় এবং আনন্দী নিজস্ব স্বপ্ন পূরণ করে চিকিৎসক হয়। গল্পে নানা মোড় ইতিমধ্যেই দেখে নিয়েছেন দর্শক। কখনও বদলেছে তাদের সম্পর্কের সমীকরণ কখনও আবার ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে কাছে এসেছে তারা।
মাঝে সুপর্ণার সঙ্গে আদির অবৈধ সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ করেছিল আনন্দী। আসলে সুপর্ণা বারবার আদি ও আনন্দীর মাঝে এসে পড়ে। তাই একেবারেই সুপর্ণাকে সহ্য করতে পারে না আনন্দী। কিন্তু আদি আপ্রাণ চেষ্টা করে আনন্দীকে তার ভালবাসায় ভুলিয়ে রাখতে। মেয়ে উমাকে নিয়ে ভালই দিন কাটছে তাদের। তবে এই নিয়ে পরপর দু'বার কিডন্যাপ হয়েছে উমা। যদিও দুটো আলাদা চক্রান্তের শিকার হয়েছিল এই একরত্তি। কিন্তু এই দুটো চক্রান্তের আসল মাথা একজনই। যদিও তাকে এখনও পর্যন্ত ধরতে পারেনি আদি-আনন্দী।
এদিকে একের পর এক শত্রু আসছে তাদের জীবনে। কীভাবে আবারও বিপদ থেকে উদ্ধার হবে তারা? উত্তর মিলবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে।
