‘ধুরন্ধর’ ছবিতে অভিনয় করার বিষয় বলিউডের অনেক তাবড় নেতা আশাবাদী ছিলেন না, এমনটাই জানিয়েছেন মুকেশ ছাবড়া৷ যদিও শেষ পর্যন্ত ছবিটিতে তারকাসমাবেশ হয়৷
আদিত্য ধরের পরিচালনায় 'ধুরন্ধর' ছবির কাস্টিং প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলতে গিয়ে, মুকেশ ছাবড়া সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান যে, অর্জুন রামপাল, সঞ্জয় দত্ত এবং অক্ষয় খান্নার মতো অভিনেতারা একবার শুনেই ধুরন্ধর ছবিতে অভিনয় করবেন বলে কথা দেননি, প্রত্যেকেই সময় নিয়েছিলেন৷
অন্যদিকে, ছাবড়া জানান, একমাত্র আর মাধবনই সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়েছিলেন 'ধুরন্ধর' ছবিতে অভিনয় করার বিষয়।
তিনি বলেন, "শুরুতে অর্জুন রামপাল, সঞ্জয় দত্ত এবং অক্ষয় খান্নাও এই ছবিতে অভিনয় করার বিষয় নিশ্চিত ছিলেন না। শুধু আর মাধবনই হ্যাঁ বলেছিলেন। অন্যদের ক্ষেত্রে সময় লেগেছিল। আদিত্য এবং আমি অনেকের কথাই ভেবেছিলাম, এবং সত্যি বলতে, আগে আমরা কখনও ভাবিনি যে এত বড় তারকাদের নিয়ে কাজ করব।"
মুকেশ ছাবড়া আরও জানান, অভিনেতারা এমন শক্তিশালী চরিত্রে অভিনয় করতে দ্বিধা বোধ করেন। পর্দায় উপস্থিতির সময় নিয়ে উদ্বেগও কাজ করে৷ ছবিতে কে কতক্ষণ অভিনয় করল তার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ কোন চরিত্র দর্শকমনে কতটা প্রভাব বিস্তার করল, ছাবড়ার সংযোজন৷
মুকেশ ছাবড়া বলেন, "মাধবন এবং অর্জুন মাত্র ১২ দিন ছিলেন শুটিংয়ের জন্য। বেশিরভাগ অভিনেতাই সাধারণত চিন্তা করেন যে তাঁরা কতটুকু স্ক্রিনটাইম পাবেন। আমরা বলেছিলাম যে এখানে, চরিত্রগুলির সময় নয়, প্রভাবটাই আসল। আপনি যদি মাধবনের চরিত্রটি দেখেন, মাত্র ১২ থেকে ১৪ দিনের শুটিংয়ের মধ্যেই চরিত্রটির প্রভাব বিশাল।"
২০২৫ সালের ছবির সিক্যুয়েল ‘ধুরান্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ এখন হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মালয়ালম এবং কন্নড় সহ একাধিক ভাষায় মুক্তি পেয়েছে। রণবীর সিং অভিনীত এই ছবিতে সারা অর্জুন, ড্যানিশ পান্ডোর এবং রাকেশ বেদিও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন।















