টিনসেল টাউনে খবর অফুরান। বিনোদনের সমস্ত খবর জানতে যদি চান, চোখ রাখুন নজরে বিনোদনে। জেনে নিন সারাদিনের গরমা গরম খবর কী?

স্পাই নয়, 'আলফা'য় ভিলেন আলিয়া?

যশরাজ ফিল্মসের স্পাই ইউনিভার্সের আসন্ন ছবি ‘আলফা’ নিয়ে দর্শক মহলে উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে। তবে সম্প্রতি এই ছবি নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে, যা সিনেমা প্রেমীদের চমকে দিয়েছে। জানা যাচ্ছে, শিব রাওয়াল পরিচালিত এই ছবিতে আলিয়া ভাট কোনও চিরাচরিত গুপ্তচরের ভূমিকায় অভিনয় করছেন না। বরং পর্দায় তাঁকে দেখা যাবে এক পেশাদার খুনি হিসেবে। সূত্রের খবর, আদিত্য চোপড়ার এই প্রজেক্টে আলিয়ার চরিত্রটিকে এক সাধারণ গুপ্তচরের গণ্ডি থেকে বের করে একদম অন্যভাবে সাজানো হয়েছে। গল্পে দেখা যাবে, ছোটবেলা থেকেই একটি মেয়েকে কড়া প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভাড়াটে খুনি হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। তারপর বড় হয়ে সে কীভাবে জীবনযুদ্ধে এগোবে, সেটাই দেখা যাবে গল্পে। 

‘মাতৃভূমি'র গানে সলমনের সঙ্গে ২০০ জন নৃত্যশিল্পী! 

সলমন খানের আসন্ন ছবি ‘মাতৃভূমি' নিয়ে দর্শকমহলে কৌতুহলের শেষ নেই। ছবির বেশ কিছু অংশের পুনরায় শুটিং, গল্পে নানাবিধ পরিবর্তন এবং মুক্তির তারিখ পিছিয়ে যাওয়া নিয়ে ছবিটি ইতিমধ্যেই বেশ কিছুদিন ধরে খবরের শিরোনামে রয়েছে। এবার সেই হাইপ আরও বাড়িয়ে দিলেন বলিউডের জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার ও পরিচালক মুদাসসর খান। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ছবিটির একটি গানের দৃশ্য নিয়ে কথা বলেছেন মুদাসসর। তিনি জানান, সলমন খানকে কেন্দ্র করে এই ছবির একটি বিশেষ গান অত্যন্ত বিশাল পরিসরে নির্মাণ করা হয়েছে। সেট থেকে শুরু করে গানের আয়োজন—সবকিছুতেই ছিল রাজকীয় ছোঁয়া। এই জমকালো ট্র্যাকটিতে সলমন খানের সঙ্গে পা মিলিয়েছেন প্রায় ২০০ জন নৃত্যশিল্পী। টানা পাঁচ দিন ধরে এই গানের শুটিং করেছেন তাঁরা।

শুটিংয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েছিলেন অভিমন্যু 

বলিউডের পাশাপাশি দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতেও খলনায়ক হিসেবে দারুণ পরিচিত মুখ অভিমন্যু সিং। এক সাক্ষাৎকারে থালাপথি বিজয় প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে অভিমন্যু জানান, বিজয় এত বড় মাপের সুপারস্টার হওয়া সত্ত্বেও অত্যন্ত সাধারণ এবং মাটির মানুষ। এরপরই তিনি একটি অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিংয়ের কথা তুলে ধরেন, যেখানে কোনও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই চলন্ত ট্রেনের ছাদে তাঁদের ফাইট সিকোয়েন্স করতে হয়েছিল। ট্রেনটি তখন প্রায় ৯০-১০০ কিলোমিটার গতিতে ছুটছিল এবং নিচে ছিল আড়াই হাজার ফুটের গভীর খাদ। অভিমন্যু বলেন, "যদি একটুও পা ফসকাতো, তবে আমরা দু'জনেই নিচে পড়ে মারা যেতাম। ওই ঘটনার পর প্রায় ছয়-সাত দিন আমি আতঙ্কে ঘুমাতে পারিনি। ওটা সত্যিই মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা।"