মিশরের তারকা ফুটবলার মোস্তাফা জিকো বিশ্ব মঞ্চে অবাক করে দিয়েছেন। আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে তিনি জোড়়া গোল করেন। তার মধ্যে একটি গোল বাতিল হয়। তার পরে ফের গোল করেন মোস্তাফা জিকো।
2
11
মিশরের তারকা ফুটবলারের সঙ্গে অতীতে খেলেছেন ইস্টবেঙ্গলের তারকা। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ক্লাবে খেলে তিনি গতমরশুমে এসেছেন ইস্টবেঙ্গলে।
3
11
এত পর্যন্ত পড়ার পরে অনেকেই কৌতূহলী হতে পারেন। ভাবতে পারেন কার কথা বলা হচ্ছে। তিনি প্যালেস্তাইনের তারকা ফুটবলার মহম্মদ রশিদ। আইএসএলে ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে রশিদই গোল করেন।
4
11
ইস্টবেঙ্গলের তারকা ফুটবলার ও মিশরের জিকো অতীতে একে অপরের বিরুদ্ধে খেলেছেন। ইন্টারনেট খুঁজে দেখা গেল রশিদ মিশরের ক্লাব স্মুহুহ-তে খেলেছেন।
5
11
অন্যদিকে ১৪ বছর বয়সে মোস্তাফা জিকো তাঁর বাবাকে হারান। সেই কঠিন সময়েও ফুটবলের বিচ্ছেদ ঘটেনি জিকোর।
6
11
দীর্ঘদিন মিশরের তৃতীয় ডিভিশনে খেলেছেন জিকো। পরে মিশরের সেনাবাহিনী-সমর্থিত ক্লাব হারাস আল হুদুদ তাঁকে দলে নেয়। সেখান থেকেই তাঁর পেশাদার ফুটবলে উত্থান শুরু।
7
11
নেট ঘেটে দেখা গেল মিশরের শীর্ষ লিগে খেলার সময় রশিদ মিশরের তারকা ফুটবলার জিকোর বিরুদ্ধে একাধিকবার খেলেছেন।
8
11
হারাস আল হুদুদের হয়ে প্রায় চার বছর কাটানোর পর জিকো যোগ দেন জেড এফসিতে। সেই সময়ই ক্লাবটি প্রথমবারের মতো শীর্ষ ডিভিশনে উন্নীত হয়েছিল।
9
11
জেডে ধারাবাহিক ভাল পারফরম্যান্সের পর জিকোকে দলে নেয় মিশরের অন্যতম শক্তিশালী ক্লাব পিরামিড এফসি। পিরামিডস মিশরের অন্যতম ধনী ও উচ্চাভিলাষী ক্লাব, যারা খেলোয়াড়দের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে পিছপা হয় না।
10
11
সম্পূর্ণ আচম্বিতেই মিশরের জাতীয় দলের হয়ে খেলতে বিশ্বকাপে চলে আসেন জিকো। বিশ্বকাপের আগে জিকো মিশরের উত্তর উপকূলে গ্রীষ্মকালীন ছুটি কাটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
11
11
ঠিক সেই সময় জাতীয় দলের কোচ হোসাম হাসানের ফোন কল বদলে দেয় তাঁর জীবন। জাতীয় দলে ডাক পেয়ে ছুটির পরিকল্পনা বাতিল করে সরাসরি যোগ দেন বিশ্বকাপ দলে। আর সেই সুযোগই তাঁকে অন্যতম চর্চিত ফুটবলারে পরিণত করেছে।