বলিউড অভিনেতা শেখর সুমনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ধর্মেশ সাংগানির বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। তাঁর বিরুদ্ধে বিদেশে সম্পত্তি সংক্রান্ত আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল৷ এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছিল৷ তাঁর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই বলিউড ও ব্যবসায়িক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিদেশে সম্পদ (Foreign Assets) সংক্রান্ত তথ্য এবং Foreign Exchange Management Act (FEMA)-এর সম্ভাব্য লঙ্ঘনের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে ইডি। সেই তদন্তের অংশ হিসেবেই ধর্মেশ সাংগানির ব্যবসায়িক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত একাধিক অফিস ও অন্যান্য জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়।
সূত্রের খবর, তদন্তকারীরা বিভিন্ন আর্থিক নথি, ডিজিটাল ডিভাইস এবং লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করেছেন। বিদেশে অর্থ স্থানান্তর এবং সম্পত্তি কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত নথিপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও তদন্তের স্বার্থে ইডির তরফে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।


এই ঘটনায় শেখর সুমনের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ আনা হয়নি। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী,  তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ধর্মেশ সাংগানি এবং তাঁর ব্যবসায়িক লেনদেন। শেখর সুমনের নাম উঠে এসেছে শুধুমাত্র ধর্মেশের ঘনিষ্ঠ পরিচিত হিসেবে। তাই এই মুহূর্তে অভিনেতাকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়নি।

উল্লেখ্য, FEMA আইন অনুযায়ী বিদেশে অর্থ লেনদেন, বিনিয়োগ বা সম্পত্তি সংক্রান্ত নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। সেই নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ উঠলেই ইডি তদন্ত শুরু করতে পারে। এই মামলাতেও বিদেশে সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা।
এদিকে ইডির এই অভিযানের পর বিষয়টি নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। তদন্তে নতুন কী তথ্য সামনে আসে এবং ধর্মেশ সাংগানির বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকে নজর রয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত ধর্মেশ সাংগানি বা তাঁর প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি।