বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনকে নিয়ে ফের জোর চর্চা শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে প্রযোজক কাত্রাগাড্ডা প্রসাদ দাবি করেছেন, 'কল্কি ২' ছবি থেকে দীপিকাকে সরিয়ে দেওয়ার অন্যতম কারণ ছিল ছবির ক্রমবর্ধমান প্রোডাকশন খরচ। তাঁর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
প্রযোজকের দাবি, দীপিকার শুটিংয়ের জন্য প্রযোজনা সংস্থার প্রতিদিন প্রায় ২.৫ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছিল। এই খরচের মধ্যে ছিল প্রায় ১৮টি বিমান টিকিট, পাঁচতারা হোটেলে থাকার ব্যবস্থা এবং একাধিক স্যুট রুম বুকিংয়ের ব্যয়। তাঁর মতে, দীর্ঘ সময় ধরে এই বিপুল ব্যয় বহন করা প্রযোজনা সংস্থার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছিল।
কাত্রাগাড্ডা প্রসাদ আরও দাবি করেন, শুধুমাত্র পারিশ্রমিক নয়, একজন তারকা শিল্পীর সঙ্গে যুক্ত আনুষঙ্গিক খরচও অনেক সময় ছবির বাজেটকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সেই কারণেই নাকি শেষ পর্যন্ত কাস্টিংয়ে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তবে এই দাবির সত্যতা নিয়ে 'কল্কি ২'-এর নির্মাতা সংস্থা বা দীপিকা পাড়ুকোনের পক্ষ থেকেও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি। উল্লেখ্য, এর আগেও দীপিকা পাড়ুকোনকে ঘিরে একাধিক জল্পনা তৈরি হয়েছিল।
এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবর ঘিরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। একাংশের মতে, বড় বাজেটের ছবিতে প্রযোজনার খরচ নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে অনেকের প্রশ্ন, শুধুমাত্র লজিস্টিক খরচের জন্য একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে ছবি থেকে বাদ দেওয়া আদৌ সম্ভব কি না।
প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত 'কাল্কি ২'-এর কাস্টিং নিয়ে নির্মাতাদের তরফে কোনও চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়নি। ফলে দীপিকা পাড়ুকোনকে সত্যিই ছবি থেকে সরানো হয়েছে কি না, নাকি এটি শুধুই প্রযোজকের ব্যক্তিগত দাবি—তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না৷ এর সত্যতা জানতে নির্মাতা সংস্থার আনুষ্ঠানিক বিবৃতির জন্য অপেক্ষা করতে হবে৷















