আরব সাগরে লক্ষ ঢেউ। কোনও ঢেউ ভাঙে, কোন ঢেউ গড়ে... জানতে পারেন কেউ? মায়ানগরীর আনাচেকানাচে গুনগুন ফিসফাস। খবরের কানাকানিতে থমকে বাতাস। সারা দিনের খবরাখবর শেষবেলায় আজকাল ডট ইনের পাতায়...

‘ধুরন্ধর ২’-এর প্রশংসা আমিরের

আমির খান বরাবরই ভাল কাজের প্রশংসা করতে কুণ্ঠাবোধ করেন না। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি 'ধুরন্ধর ২' -এর পুরো টিমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। যদিও অভিনেতা স্বীকার করেছেন, ব্যস্ততার কারণে তিনি এখনও ছবিটি দেখে উঠতে পারেননি। রণবীর সিং, অর্জুন রামপাল এবং সঞ্জয় দত্তর মতো তারকাখচিত এই ছবিটি বক্স অফিসে দারুণ সাড়া ফেলেছে। ছবির এই সাফল্যে খুশি আমির খানও। তিনি ছবির পরিচালক আদিত্য ধর এবং রণবীর সিংয়ের অভিনয়ের প্রশংসা করে বলেন, "আমি শুনেছি ছবিটি খুব ভাল হয়েছে এবং দর্শকরাও এটি পছন্দ করছেন। আমি এখনও দেখার সময় পাইনি, তবে খুব তাড়াতাড়ি দেখব। ছবির পুরো টিমকে আমার অনেক অনেক অভিনন্দন।"

মহেশ ভাটকে গুরুদক্ষিণায় কত টাকা দেন অনুপম খের?

অনুপম খের এবং পরিচালক মহেশ ভাটের সম্পর্ক দীর্ঘ চার দশকের। ১৯৮৪ সালে মহেশ ভাটের ‘সারাংশ’ ছবির হাত ধরে বলিউডে পা রেখেছিলেন অনুপম। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বর্ষীয়ান অভিনেতা তাঁদের এই দীর্ঘ পথচলা এবং একটি বিশেষ পারিশ্রমিক নিয়ে মজার তথ্য ভাগ করে নেন। তিনি জানান, তাঁর প্রথম ছবি ‘সারাংশ’-এর জন্য মহেশ ভাট তাঁকে মাত্র ২৫০ টাকা পারিশ্রমিক দিয়েছিলেন। সেই সময় অনুপম ছিলেন ইন্ডাস্ট্রিতে নেহাতই এক নবাগত। কিন্তু আজ পরিস্থিতি বদলেছে। অনুপম এখন প্রতিষ্ঠিত অভিনেতা। কিন্তু এখনও তিনি মহেশ ভাটের কোনও ছবিতে কাজ করলে ‘গুরু’কে উল্টে ২৫,০০০ টাকা দেন। সাফল্যের শিখরে পৌঁছেও মহেশ ভাটের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে এই বিশেষ রীতি পালন করেন অনুপম খের।


কেন বোমানের ওপর চটলেন মন্দানা?

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা বোমান ইরানি এবং মডেল-অভিনেত্রী মন্দানা করিমির মধ্যে সম্প্রতি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে তৈরি একটি ব্যাঙ্গাত্মক ভিডিওতে বোমান ইরানির কিছু মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই এই সংঘাতের সূত্রপাত। ইরানি বংশোদ্ভূত ভারতীয় অভিনেত্রী মন্দানা কারিমি এই বিষয়ে বোমান ইরানিকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন। সম্প্রতি বোমান ইরানি একটি ভিডিও শেয়ার করেন যেখানে তাঁকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায়। এই ব্যাঙ্গাত্মক ভিডিওর একটি অংশে তিনি ইরানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বা ইরান সংক্রান্ত কিছু প্রসঙ্গ টেনে আনেন। মন্দানা করিমির অভিযোগ, বোমান ইরানি হঠাৎ করে কোনও প্রাসঙ্গিকতা ছাড়াই ইরানকে নিয়ে কথা বলেছেন, যা তাঁর কাছে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং আপত্তিকর মনে হয়েছে। মন্দানা কারিমি বরাবরই ইরানের মানবাধিকার এবং নারীদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার। বোমানের ভিডিওটি দেখে তিনি সমাজমাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দেন।  বলেন, যখন ইরানের মানুষ কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং সেখানে প্রতিনিয়ত আন্দোলন ও সংগ্রাম চলছে, তখন সেই পরিস্থিতি নিয়ে কোনও প্রকার ব্যঙ্গ বা অগভীর মন্তব্য করা অত্যন্ত অসংবেদনশীল।