আজকাল ওয়েবডেস্ক: সীতাভোগ মিহিদানা ছাড়িয়ে এবার গণনার আগে জোরকদমে পদ্ম এবং ঘাসফুলের লড়াই চলছে। ৪ তারিখে ভোটের ফল ঘোষণা ঘিরে রাজ্যজুড়ে বাড়ছে উত্তেজনা।
রাজনৈতিক মহলে চলছে জোর হিসেব-নিকেশ, অন্যদিকে ভোটগ্রহণ শেষ হতেই রাতভর আরসি-তে ইভিএম জমা করেছেন ভোটকর্মীরা। আর ভোটের এই আবহেই জমে উঠেছে বাজার।
বিশেষ করে মিষ্টির দোকানগুলোতে দেখা গিয়েছে চাঞ্চল্য। বর্ধমানের এক মিষ্টির দোকানে চোখে পড়ছে অভিনব প্রস্তুতি। ট্রে-এর পর ট্রে সাজানো হয়েছে বিশেষ ধরনের মিষ্টি।
একদিকে রয়েছে ঘাসফুলের আদলে তৈরি বরফি। অন্যদিকে রয়েছে পদ্মফুলের নকশায় তৈরি সাদা মিষ্টি। প্রতিটি মিষ্টির দাম রাখা হয়েছে ১০ টাকা। রঙ, নকশা ও প্রতীকে স্পষ্ট রাজনৈতিক ইঙ্গিত মিলছে।
দোকানে মিষ্টি প্রস্তুতকারক সৌমেন দাস জানান, ‘রাজ্যে পালাবদল নাকি প্রত্যাবর্তন তা নিয়ে এখন জোর আলোচনা চলছে। আমরা ব্যবসায়ী, তাই দু’ধরনের মিষ্টিই তৈরি করছি।’
তাঁর কথায়, ‘ভোটের সময় এই ধরনের থিমের মিষ্টির চাহিদা বরাবরই বাড়ে। অনেক ক্রেতাই নিজেদের পছন্দের প্রতীক অনুযায়ী মিষ্টি কিনছেন।’ দোকানে আসা ক্রেতাদের মধ্যেও কৌতূহল তুঙ্গে।
কেউ মজা করে বলছেন, আগে থেকেই জয়ের স্বাদ নিয়ে নিচ্ছি। আবার কেউ দুই প্রতীকের মিষ্টিই কিনছেন। ভোটের ফল যাই হোক, উৎসবের আমেজ যেন বজায় থাকে।
ভোটের আগে এই ব্যতিক্রমী বিপণন যেমন ব্যবসায়ীদের জন্য বাড়তি সুযোগ তৈরি করছে, তেমনই সাধারণ মানুষের মধ্যেও তৈরি করছে এক ধরনের হালকা মেজাজের রাজনৈতিক উন্মাদনা। হাতে এখনও চারদিন সময়। ফলাফল যা-ই হোক, আপাতত মিষ্টির ট্রে-তেই জমে উঠেছে ঘাসফুল বনাম পদ্মের লড়াই।















